সর্বশেষ :
১০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৩ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ইসরায়েলের পর এবার ইউক্রেনও ইরানের লক্ষ্যবস্তু, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি শুনেছি খামেনি জীবিত নেই, ইরানের আত্মসমর্পণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ: ট্রাম্প জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে দিপু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার বেড়ে ২৬, নতুন আসামি সোহেল জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আবেগ নয়, সাংবিধানিক পথেই এগোতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ যাচাইয়ে সংসদের বিশেষ কমিটি পহেলা বৈশাখে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি বৈঠক প্রথম ম্যাচে দাপট, দ্বিতীয়টিতে ভরাডুবি আজ শেষ ওয়ানডেতে কোন বাংলাদেশ দেখা যাবে?
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মিশরের প্রেসিডেন্টের ক্ষমায় কারামুক্ত মানবাধিকারকর্মী আলা আবদেল ফাত্তাহ

প্রতিনিধি: / ৯৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি’র সাধারণ ক্ষমায় কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ-মিশরীয় মানবাধিকারকর্মী আলা আবদেল ফাত্তাহ। আজ তার পরিবার জানিয়েছে, কায়রো কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন আলা। কায়রো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। ৪৩ বছর বয়সী আলা ২০১১ সালে মিশরে বিদ্রোহের অন্যতম ব্যক্তি। তিনি মিশর সরকারের কঠোর সমালোচক হিসেবেও পরিচিত। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি কারাগারে কাটিয়েছেন। আলা’র আইনজীবী এবং মিশরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গত সোমবার জানান, প্রেসিডেন্ট সিসি তার জন্য সাধারণ ক্ষমা মঞ্জুর করেছেন। তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই ওয়াদি আল-নাতরুন কারাগার থেকে ছাড়া পাবেন বলেও ওই সময় জানানো হয়। গতকাল সকালেই আলা’র পরিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি পোস্ট করে। তাতে দেখা যায়, আলা তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। এসময় সেখানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গত দুই দশকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক থেকে শুরু করে বর্তমান প্রেসিডেন্ট সিসি’র সময়ে মিশরীয় প্রশাসন আলা’কে কারারুদ্ধ করে রাখে। তিনি সর্বশেষ ২০১৯ সালে গ্রেফতার হন এবং ২০২১ সালে তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কারাগারে বন্দি নির্যাতনের ভুয়া নিউজ ছড়ানোর। তার কারাদণ্ডের মেয়াদ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেই শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে, রায়ের আগে তার আটক থাকার সময় বিবেচনায় নিতে অস্বীকার জানায় কর্তৃপক্ষ। আলা’র মা সুইফ ছেলের মুক্তির দাবিতে ১০ মাস ধরে অনশন করেন এবং অসুস্থ হয়ে দু’বার হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি ঘোষণা দেন, ছেলের মুক্তির জন্য প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত। অবশেষে প্রেসিডেন্টের ক্ষমায় মুক্তি মিলল আলা’র।


এই বিভাগের আরো খবর