Dhaka ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমলো

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮৬ Time View

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) এর আমদানি দায় পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি দায় মেটাতে আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। এই পরিশোধের পর ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০৩০৭ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী একই সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫৩৯৭ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার। আইএমএফের এই পদ্ধতিতে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১৪৩২ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬৪৫০ দশমিক ০৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, আকুর বিল পরিশোধের কারণে রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হ্রাস ঘটেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমদানি দায় মেটাতে নিয়মিতভাবে রিজার্ভ থেকে অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এর ফলে রিজার্ভ ওঠানামা করলেও বাংলাদেশ এখনো প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় নির্বাহের সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমলো

Update Time : ০১:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) এর আমদানি দায় পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি দায় মেটাতে আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। এই পরিশোধের পর ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০৩০৭ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী একই সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫৩৯৭ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার। আইএমএফের এই পদ্ধতিতে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১৪৩২ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬৪৫০ দশমিক ০৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, আকুর বিল পরিশোধের কারণে রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হ্রাস ঘটেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমদানি দায় মেটাতে নিয়মিতভাবে রিজার্ভ থেকে অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এর ফলে রিজার্ভ ওঠানামা করলেও বাংলাদেশ এখনো প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় নির্বাহের সক্ষমতা ধরে রেখেছে।