সর্বশেষ :
মোরেলগঞ্জ মডেল একাডেমির আয়োজনে প্রাথমিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা–২০২৫ অনুষ্ঠিত খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে বিক্রি হচ্ছে গোলফল ; অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার খুলছে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও: মন্ত্রণালয়ের কঠোর সতর্কবার্তা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫ নুরের জ্ঞান ফিরেছে, নাক ও ডান চোয়ালের হাড় ভেঙেছে মোরেলগঞ্জে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি  ৮ দলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন ৩ দেশ ইরানের আগের নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে আনতে চায় চোর সন্দেহে গুগল ম্যাপস কর্মীদের গণপিটুনি থাই প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায়ে ক্ষমতা হারালেন পুলিশের গাড়িচাপায় তরুণের মৃত্যুর পর ইন্দোনেশিয়ায় তীব্র হয়েছে বিক্ষোভ
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

থাই প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায়ে ক্ষমতা হারালেন

প্রতিনিধি: / ১০ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

বিদেশ : থাইল্যান্ডে রাজনৈতিক সংকট আরও ঘণীভূত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দেশটির সাংবিধানিক আদালত প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে সেই দেশটির নেতা হুনসেনের সঙ্গে ফাঁস হওয়া একটি টেলিফোন সংলাপের জের ধরে থাইল্যান্ডের আদালত এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিল। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ওই আলাপনে দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে পারেননি। খবর এএফপির। থাই ধনকুবের ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে পায়েতংতার্নের প্রধানমন্ত্রীর পদ গত জুলাই মাস থেকে স্থগিত করেছিল আদালত। গত জুন মাসে কম্বোডিয়ার ক্ষমতাশালী নেতা হুনসেনের সঙ্গে ফাঁস হওয়া টেলিফোন সংলাপ থেকে অভিযোগ ওঠে পায়েতংতার্ন সেই আলাপে দেশের স্বার্থ তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। আর এই অভিযোগেই তার প্রধানমন্ত্রীর পদ স্থগিত করা হয়। ‘প্রধানমন্ত্রী পদের নৈতিক মানদণ্ড তিনি বজায় রাখতে পারেননি’- এমন রায় দিয়ে নয়জন বিচারকের মধ্যে ছয়জন তাকে অপসারণের পক্ষে মতামত প্রদান করে। এর ফলে থাইল্যান্ড রাজনৈতিক সংকটের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে পার্লামেন্টে ভঙ্গুর ক্ষমতাসীন জোটকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এখন স্পষ্ট কোনো প্রার্থীই পাওয়া যাচ্ছে না। গতকাল আদালতে একজন বিচারক রায় পড়ে শোনানোর সময় বলেন, তার (পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা) এই ধরনের কাজ আস্থার সংকট তৈরি করেছে, কারণ তিনি জাতীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থকে প্রধান্য দিয়েছেন। এতে করে থাই জনসাধারণের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে যে, তিনি কম্বোডিয়ার পক্ষ নিচ্ছেন এবং থাই নাগরিকদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার ওপর আস্থা কমে গেছে। রায়ে আরও বলা হয়, আসামি নৈতিক আচরণবিধি বজায় রাখেননি। গত ১ জুলাই তার বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদে তার কার্যকাল কার্যকরভাবে শেষ হয়ে গেছে। থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালতের রায়ে পায়েতংতার্নের মন্ত্রিসভাকেও বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। এক বছর আগে একই আদালত পায়েতংতার্নের পূর্বসূরী প্রধানমন্ত্রী স্রেত্থা থাভিসিনকেও আরেকটি নৈতিকতা বিষয়ক মামলায় ক্ষমতা থেকে অপসারণ করেছিল।


এই বিভাগের আরো খবর