সর্বশেষ :
১০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৩ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ইসরায়েলের পর এবার ইউক্রেনও ইরানের লক্ষ্যবস্তু, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি শুনেছি খামেনি জীবিত নেই, ইরানের আত্মসমর্পণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ: ট্রাম্প জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে দিপু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার বেড়ে ২৬, নতুন আসামি সোহেল জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আবেগ নয়, সাংবিধানিক পথেই এগোতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ যাচাইয়ে সংসদের বিশেষ কমিটি পহেলা বৈশাখে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি বৈঠক প্রথম ম্যাচে দাপট, দ্বিতীয়টিতে ভরাডুবি আজ শেষ ওয়ানডেতে কোন বাংলাদেশ দেখা যাবে?
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল সুদের হার কমিয়ে ৩.৬০ শতাংশে নামিয়েছে

প্রতিনিধি: / ১১৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক গতকাল মূল সুদের হার কমিয়ে গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। তবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকার সতর্কতা দিয়েছে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া (আরবিএ) সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে । যা এপ্রিল ২০২৩ সালের পর সর্বনিম্ন। ব্যাংক জানিয়েছে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে স্থিতিশীল অগ্রগতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ব্যাংকের মুদ্রানীতি বোর্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা উচ্চ পর্যায়ে রয়ে গেছে। তবে মার্কিন শুল্ক নীতি ও অন্যান্য দেশের প্রতিক্রিয়ার পরিধি ও মাত্রা নিয়ে কিছুটা স্বচ্ছতা এসেছে, যা চরম পরিস্থিতি এড়াতে সহায়ক হতে পারে।’ বোর্ড আরও জানায়, বাণিজ্য নীতি সংক্রান্ত অগ্রগতি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ‘নেতিবাচক প্রভাব’ ফেলতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার অর্থমন্ত্রী জিম চ্যালমার্স বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার বিরুদ্ধে সেরা প্রতিরক্ষা হলো ‘আরও উৎপাদনশীল অর্থনীতি, শক্তিশালী বাজেট এবং অধিক সহনশীলতা’। তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা এখন দৃষ্টিভঙ্গির মূল বৈশিষ্ট্য, তবে আমরা একসাথে যে সব অগ্রগতি করেছি, তা আমাদের ভালো অবস্থানে রেখেছে।’ যদিও ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ৭.৮ শতাংশে পৌঁছানো মুদ্রাস্ফীতি এখন কিছুটা কমেছে তবুও অস্ট্রেলিয়ার অনেক পরিবার এখনো খাদ্য, জ্বালানি ও আবাসন খরচের উচ্চ চাপের মধ্যে রয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর