সর্বশেষ :
১০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৩ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ইসরায়েলের পর এবার ইউক্রেনও ইরানের লক্ষ্যবস্তু, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি শুনেছি খামেনি জীবিত নেই, ইরানের আত্মসমর্পণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ: ট্রাম্প জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে দিপু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার বেড়ে ২৬, নতুন আসামি সোহেল জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আবেগ নয়, সাংবিধানিক পথেই এগোতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ যাচাইয়ে সংসদের বিশেষ কমিটি পহেলা বৈশাখে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি বৈঠক প্রথম ম্যাচে দাপট, দ্বিতীয়টিতে ভরাডুবি আজ শেষ ওয়ানডেতে কোন বাংলাদেশ দেখা যাবে?
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

তাইওয়ান ইস্যুতে আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেছে চীন: ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট

প্রতিনিধি: / ১২৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

বিদেশ : ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্ড মারকোস জুনিয়র বলেন, ‘তাইওয়ান ইস্যুতে আমার সামপ্রতিক মন্তব্য চীন ‘‘প্রচারণার উদ্দেশ্যে ভুলভাবে ব্যাখ্যা’’ করেছে। আমি কিছুটা বিস্মিত, কীভাবে আমার বক্তব্যকে ‘‘আগুন নিয়ে খেলা’’ হিসেবে তুলে ধরা হলো?’ গতকাল সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে ভারত সফরে গিয়ে মারকোস বলেন, ‘তাইওয়ান নিয়ে যদি সংঘাত শুরু হয়, তাহলে ফিলিপাইন কোনোভাবেই বাইরে থাকতে পারবে না।’ এই মন্তব্যের পর চীন মারকোসকে ‘আগুন নিয়ে খেলছেন’ বলে অভিযোগ করেন। মারকোস আরও বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু হলে তাইওয়ানে বসবাসরত ফিলিপিনোদের সরিয়ে নিতে হবে। তবে আমি সংঘাত বা যুদ্ধ চাই না। তাইওয়ান নিয়ে যুদ্ধ হলে ফিলিপাইনকে বাধ্য হয়ে সেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে হবে। আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম।’ ফিলিপাইন সরকারের তথ্যানুযায়ী, তাইওয়ানে এক লাখেরও বেশি ফিলিপিনো নাগরিক বসবাস করছেন। এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইন ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। গতকাল সোমবার স্কারবোরো শোল এলাকায় ফিলিপিনো জেলেদের জন্য রসদ বহনকারী একটি ফিলিপাইন নৌযানকে পানি কামান দিয়ে লক্ষ্য করে চীনা কোস্ট গার্ড। তবে ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড জানিয়েছেন, জাহাজটি আঘাত এড়াতে সক্ষম হয়েছে। ফিলিপাইনে নিযুক্ত চীনের দূতাবাস মারকোসের মন্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এর আগে ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের এক রায়ে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বিস্তৃত দাবিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। আদালত জানায়, আন্তর্জাতিক আইনে চীনের দাবির কোনো ভিত্তি নেই। তবে চীন সেই রায় মানতে অস্বীকৃতি জানায়।


এই বিভাগের আরো খবর