সর্বশেষ :
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কাবুল ক্লিনিকে হামলায় ‘বিপুল সংখ্যক নিহত’ নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী হামলায় নিহত ২৩, আহত শতাধিক বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলা, পৃথক হামলায় নিহত ৪ তদন্ত কমিটি গঠন করা নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবার নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের লোহিত সাগর পর্যন্ত যুদ্ধ বিস্তৃত করা হবে—হুঁশিয়ারি ইরানের শের-ই-বাংলা মেডিকেলে আগুন, অবহেলায় দুই রোগী মৃত্যুর অভিযোগ সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত ময়মনসিংহের যুবকের মৃত্যু বগুড়ায় মাইক্রোবাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, চালকসহ গেল ৩ প্রাণ
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মডেল মেঘনার পাসপোর্ট-মোবাইল ফোন-ল্যাপটপের ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির আদেশ

প্রতিনিধি: / ১৪৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজধানীর ধানমন্ডি থানার মামলায় আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের জব্দ করা পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ অন্যান্য জিনিসের ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরি করা এবং এসব জিনিস কেন তার জিম্মায় ফেরত দেওয়া হবে না এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালত এ আদেশ। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে আদালতে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেঘনা আলমের জব্দ করা জিনিসের মধ্যে রয়েছে- পাসপোর্ট, আইফোন-১৬ প্রো, ম্যাগবুক, অপো মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ। মেঘনা আলমের আইনজীবী মহিমা বাঁধন ও মহসিন রেজা এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মেঘনা আলম একজন লিডারশিপ ট্রেইনার। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য প্রায়ই তাকে দেশের বাইরে যেতে হয়। এ জন্য আমরা প্রথমে তার পাসপোর্টটি ফেরত দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে শুনানি করেছি। আদালত আগামী ৩১ আগস্টের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এসব জিনিসের ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরি করতে এবং এসব জিনিস কী কারণে মেঘনা আলমের জিম্মায় ফেরত দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন। এর আগে, গত ১০ এপ্রিল বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দিয়ে মেঘনাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তার ৩০ দিনের আটকাদেশ বাতিল হয়েছিল। গত ১৭ এপ্রিল ধানমন্ডি থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২৮ এপ্রিল আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। ২৯ এপ্রিল তিনি কারামুক্ত হন। মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, মেঘনা আলম, দেওয়ার সমিরসহ অজ্ঞাত দুই থেকে তিন জন একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা নারীদের দিয়ে বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন বিদেশি রাষ্ট্রের কূটনীতিক, প্রতিনিধি ও দেশীয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে সুকৌশলে তাদের সম্মানহানীর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করেন। দেওয়ান সমির কাওয়াই গ্রুপ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং সানজানা ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে জানা যায়। এছাড়া ইতোপূর্বে তার মিরআই ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। স্মার্ট মেয়েদের তার প্রতিষ্ঠানে ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বিদেশি কূটনীতিক ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের কাছে সহজে যাতায়াত নিশ্চিত করা ছিল তার উদ্দেশ্য।


এই বিভাগের আরো খবর