বিদেশ : কম্বোডিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষ তৃতীয় দিনে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে স্থলবাহিনীকে সহায়তা করার জন্য শনিবার থাই নৌবাহিনী তাদের সীমান্তের কাছে চারটি যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে। থাই সংবাদপত্র খাওসোদের ইংরেজি সংবাদ ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়। আরেক দৈনিক দ্য নেশন জানিয়েছে, কম্বোডিয়ান সেনাবাহিনীর অবস্থান সমপ্রসারণের খবর পাওয়ার পর রয়্যাল থাই নৌবাহিনী সীমান্তের তিনটি স্থানে কম্বোডিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘ত্রাত পিখাত পাইরি ১’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছে। গত ২৮ মে কম্বোডিয়ার প্রিয়াহ ভিহিয়ার প্রদেশ এবং থাইল্যান্ডের উবোন রাতচাথানি প্রদেশের মধ্যবর্তী বিতর্কিত এলাকায় অবস্থিত টেকো মোরোকোট গ্রাম থেকে থাই ও কম্বোডিয়ান সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। এরপর থেকে সংঘর্ষের মাত্রা বাড়ছে, ছড়িয়ে পড়ছে আরও অন্যান্য অঞ্চলে। দুই দেশের কর্তৃপক্ষের মতে, চলমান সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ জনে। আহত হয়েছেন ১৩০ জনের বেশি। গত শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংঘাতের বিষয়ে একটি জরুরি ‘ব্যক্তিগত’ বৈঠক করেছে। সেখানে কম্বোডিয়া এবং থাইল্যান্ড উভয় দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর কম্বোডিয়ার জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত ছিয়া কেও বলেন, আমরা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি চেয়েছি—নিঃশর্তভাবে—এবং আমরা বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানেরও আহ্বান জানাই। কাউন্সিল উভয় পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং কূটনীতি অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছে। আমরাও এটাই চাইছি। এর আগে থাইল্যান্ড নিরাপত্তা পরিষদে একটি চিঠি জমা দিয়ে সংঘাতের জন্য কম্বোডিয়াকে দায়ী করেছিল। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করার এবং সৎ বিশ্বাসে সংলাপ পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এদিকে, থাইল্যান্ড দুই দিন আগেই সীমান্তে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে কম্বোডিয়া রকেট ছুঁড়ছে। দুই দেশই একে অপরকে দোষারোপ করে যাচ্ছে।