সর্বশেষ :
বাগেরহাটে রামপালে দুর্ঘটনায় ১৪ নিহত, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি, দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ।। বাগেরহাটে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদে নতুন পোশাক বিতরণ মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ ফেরত পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১০ দিনে ৬৮৭ জন নিহত ইরানে বিক্ষোভ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিপ্লবী গার্ডসের ইরানকে সবদিক দিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কাঁপলো একের পর এক ভবন উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে ৬ বছর পর আবার ট্রেন চালু ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ ক্রু নিহত আগামী মঙ্গলবার থেকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন ম্যাখোঁ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

গাজায় পানি আনতে গিয়েইসরায়েলি হামলায় ৬ শিশুসহ নিহত ১০

প্রতিনিধি: / ১৪২ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

বিদেশ : গাজার মধ্যাঞ্চলে রবিবার কনটেইনারে পানি ভরার জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় ছয় শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জরুরি পরিষেবার কর্মকর্তারা। নিহতেদের লাশ নুসিরাতের আল আওদা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ১৬ জন আহত চিকিৎসাধীন। আহতদের মধ্য মধ্যে সাত শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের একজন চিকিৎসক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, আল-নুসিরাত শরণার্থীশিবিরের কেন্দ্রস্থলে একটি পানির ট্যাংকারের পাশে খালি জেরি ক্যান নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ভিড় লক্ষ্য করে একটি ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া অযাচাইকৃত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আতঙ্কিত মানুষের চিৎকারে সঙ্গে রক্তাক্ত শিশু ও লাশ পড়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থল থেকে ব্যক্তিগত যানবাহন ও গাধার গাড়ি ব্যবহার করে আহতদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়েছে। গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলা বৃদ্ধি পাওয়ার পর এই হামলা চালানো হয়েছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, মধ্য গাজা ও গাজা সিটিতে আবাসিক ভবনে রবিবার তিনটি পৃথক হামলায় আরো ১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের সীমান্তবর্তী হামলার জবাবে ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গাজায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৭ হাজার ৮৮২ জন নিহত হয়েছে। গাজার বেশির ভাগ মানুষ একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ৯০ শতাংশেরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে স্বাস্থ্যসেবা, পানি, স্যানিটেশনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়া খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও আশ্রয়েরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১৩০ দিনের মধ্যে এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো গাজায় ৭৫ হাজার লিটার জ্বালানি প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তা জনসংখ্যার দৈনন্দিন চাহিদা ও গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। জাতিসংঘের ৯টি সংস্থা শনিবার সতর্ক করে বলেছে, গাজার জ্বালানি ঘাটতি গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছেছে। জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে এটি হাসপাতাল, পানিব্যবস্থা, স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক ও বেকারিগুলোকে প্রভাবিত করবে। জাতিসংঘ বলেছে, জ্বালানি ঘাটতিতে হাসপাতালগুলো ইতিমধ্যেই অন্ধকারে ডুবে গেছে—প্রসূতি, নবজাতক ও নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটগুলোর সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া অ্যাম্বুল্যান্সগুলোও চলাচল করতে পারছে না। সূত্র : বিবিসি


এই বিভাগের আরো খবর