সর্বশেষ :
বাগেরহাটে রামপালে দুর্ঘটনায় ১৪ নিহত, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি, দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ।। বাগেরহাটে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদে নতুন পোশাক বিতরণ মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ ফেরত পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১০ দিনে ৬৮৭ জন নিহত ইরানে বিক্ষোভ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিপ্লবী গার্ডসের ইরানকে সবদিক দিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কাঁপলো একের পর এক ভবন উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে ৬ বছর পর আবার ট্রেন চালু ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ ক্রু নিহত আগামী মঙ্গলবার থেকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন ম্যাখোঁ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার প্রধানের

প্রতিনিধি: / ১০৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

বিদেশ : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, যেখানে বছরের পর বছর ধরে চলমান যুদ্ধ অসংখ্য মানুষকে গৃহহীন করে তুলেছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেন, “এই অঞ্চল ইতোমধ্যেই অনেক যুদ্ধ, প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির যন্ত্রণা ভোগ করেছে; আমরা আরেকটি শরণার্থী সংকটের শিকড় গেড়ে উঠতে দিতে পারি না।” তিনি আরো বলেন, “উত্তেজনা প্রশমনের সময় এখনই। একবার মানুষ ঘরছাড়া হলে দ্রুত তাদের ফেরানো সম্ভব হয় না এবং প্রায়ই এর পরিণতি প্রজন্মের পর প্রজন্ম টিকে থাকে।” মধ্যপ্রাচ্যের লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধের কারণে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ঘরে ফিরতে পারেনি। এসব মানুষের জীবনের যন্ত্রণা লাঘবের তেমন কোনো উদ্যোগও নেই। তবে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা উদ্বাস্তু ও শরণার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইরাক যুদ্ধের বিভীষিকার মধ্য দিয়ে গেছে। এসব দেশের কয়েকটি মানুষ উদ্বাস্তু ও শরণার্থীদের পরিণত হয়েছে। এখন যদি ইরান ঘিরে পূর্ণমাত্রার একটি যুদ্ধ বাধে, তাহলে শরণার্থী ও উদ্বাস্তুদের সংখ্যাটা এক লাফে কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাত থামাতে বিশ্ব সমপ্রদায় বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ইসরায়েল কারো কথায় কান দিচ্ছে না। তারা ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে হামলা অব্যাহত রেখেছে, যা আন্তর্জাতিক আইনে পুরোপুরি অবৈধ। ১৩ জুন ভোরে ইরানে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। তারপর পাল্টা হামলায় নামে ইরান। উভয় দেশ হামলা ও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির খুব কাছে পৌঁছে গেছে বলে অভিযোগ তুলে দেশটিতে নজিরবিহীন হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল; যেখানে আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থা বলছে, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর কাছাকাছি পৌঁছানোর কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই। ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার আছে বলে অভিযোগে ২০০৩ সালে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। যদিও তেমন কোনো অস্ত্রই ছিল না ইরাকে। এবার যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে ইসরায়েল ইরাক মডেলে ইরানে হামলা চালাচ্ছে, যার কোনো ভিত্তিই নেই। ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ লিখেছে, জায়নবাদী শাসন ১৩ জুন ইরানের বিরুদ্ধে একটি উস্কানিমূলক আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করে। তারা ইরানের পারমাণবিক, সামরিক ও আবাসিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়, যার ফলে অনেক শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিক নিহত হন। ইরানি সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা হামলা শুরু করে। ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর মহাকাশ বিভাগ ২১ জুন পর্যন্ত ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’ (সত্য প্রতিশ্রুতি-৩) অভিযানের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দফায় দফায় পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।


এই বিভাগের আরো খবর