Dhaka ১২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরও বাড়লো শুকরি কনরাডের দায়িত্ব

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • ১৮৫ Time View

দায়িত্ব আরও বাড়লো শুকরি কনরাডের। ২০২৩ সাল থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট দলের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এবার সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের কাঁধে দেওয়া হলো সাদা বলের দায়িত্বও। এখন থেকে শুরু করে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত সাদা বলেও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন শুকরি। গত এপ্রিলে পদত্যাগ করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা বলের হেড কোচ রব ওয়াল্টার। তারই স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন কনরাড। এখন থেকে একজন নির্বাচক আহ্বায়কের সঙ্গে কাজ করবেন কনরাড, যার নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। আগে প্রধান কোচই ছিলেন দল নির্বাচনের একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। এখন সেই নিয়ম বদলেছে। এখন থেকে কোচের পাশাপাশি দল নির্বাচনে ভূমিকা রাখবেন আহ্ববায়ক। সাদা বলের জন্য আলাদা কোচ না রাখায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে এই পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া বা সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন হয়নি। তবে নির্বাচক আহ্বায়কের জন্য একটি আবেদন আহ্বান করা হয়েছে, এর আবেদনের সময়সীমা ছিল ২৯ এপ্রিল। শিগগিরই এই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার (সিএসএ) এক বিবৃতিতে কনরাড বলেন, ‘জাতীয় দলের তিনটি ফরম্যাটেই দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য গভীর সম্মানের বিষয়। টেস্ট দলের কোচ হওয়া ছিল আমার ক্রিকেট জীবনের সবচেয়ে বড় গর্ব। আর এখন সাদা বলের দলগুলোও দেখা সত্যিই বিশেষ কিছু। আমি সামনের সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা বলের প্রতিভা অসাধারণ-সিনিয়র খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে উদীয়মান তরুণদের মধ্যে যারা প্রোটিয়াদের হয়ে খেলতে চায়। আমাদের একটি শক্ত ভিত রয়েছে এবং আমি বিশ্বাস করি আমরা কিছু অসাধারণ অর্জনের পথে রয়েছি।’ মার্ক বাউচারের পদত্যাগের পর ২০২২ সালে যখন সিএসএ নতুন কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করে, তখন দুই ফরম্যাটের জন্যই আবেদন করেছিলেন কনরাড। তবে দেরিতে হলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ওয়াল্টারের মেয়াদ শুরুর আগে অন্তর্বর্তী কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কনরাড। সে সময় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ একটি সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করে, যা ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ওই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ফর্মহীন টেম্বা বাভুমা দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেন, যাকে এর আগে টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ওই সিরিজেই বাভুমাকে টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেন কনরাড। বাভুমা বর্তমানে টেস্ট ও ওয়ানডে দলের অধিনায়ক এবং এইডেন মার্করাম টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হেড কোচ হিসেবে নতুন হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা বিশাল কনরাডের। পূর্ববর্তী ঘরোয়া ক্রিকেটের গঠন অনুযায়ী লায়ন্স এবং কোব্রাস দলকে কোচিং করিয়েছেন এবং চারটি শিরোপা জিতেছেন। যার মধ্যে তিনটিই ছিল সাদা বলের ফরম্যাটে। কনরাডের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা এ বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে। এই ম্যাচে প্রোটিয়াদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। কনরাডের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা টানা ৭টি টেস্ট জিতেছে, যা তাদের দ্বিতীয় দীর্ঘতম জয়রথ। এর আগে ২০০২-০৩ সালে টানা ৯টি টেস্ট জিতেছিল প্রোটিয়ারা।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা

আরও বাড়লো শুকরি কনরাডের দায়িত্ব

Update Time : ১২:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

দায়িত্ব আরও বাড়লো শুকরি কনরাডের। ২০২৩ সাল থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট দলের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এবার সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের কাঁধে দেওয়া হলো সাদা বলের দায়িত্বও। এখন থেকে শুরু করে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত সাদা বলেও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন শুকরি। গত এপ্রিলে পদত্যাগ করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা বলের হেড কোচ রব ওয়াল্টার। তারই স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন কনরাড। এখন থেকে একজন নির্বাচক আহ্বায়কের সঙ্গে কাজ করবেন কনরাড, যার নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। আগে প্রধান কোচই ছিলেন দল নির্বাচনের একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। এখন সেই নিয়ম বদলেছে। এখন থেকে কোচের পাশাপাশি দল নির্বাচনে ভূমিকা রাখবেন আহ্ববায়ক। সাদা বলের জন্য আলাদা কোচ না রাখায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে এই পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া বা সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন হয়নি। তবে নির্বাচক আহ্বায়কের জন্য একটি আবেদন আহ্বান করা হয়েছে, এর আবেদনের সময়সীমা ছিল ২৯ এপ্রিল। শিগগিরই এই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার (সিএসএ) এক বিবৃতিতে কনরাড বলেন, ‘জাতীয় দলের তিনটি ফরম্যাটেই দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য গভীর সম্মানের বিষয়। টেস্ট দলের কোচ হওয়া ছিল আমার ক্রিকেট জীবনের সবচেয়ে বড় গর্ব। আর এখন সাদা বলের দলগুলোও দেখা সত্যিই বিশেষ কিছু। আমি সামনের সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা বলের প্রতিভা অসাধারণ-সিনিয়র খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে উদীয়মান তরুণদের মধ্যে যারা প্রোটিয়াদের হয়ে খেলতে চায়। আমাদের একটি শক্ত ভিত রয়েছে এবং আমি বিশ্বাস করি আমরা কিছু অসাধারণ অর্জনের পথে রয়েছি।’ মার্ক বাউচারের পদত্যাগের পর ২০২২ সালে যখন সিএসএ নতুন কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করে, তখন দুই ফরম্যাটের জন্যই আবেদন করেছিলেন কনরাড। তবে দেরিতে হলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ওয়াল্টারের মেয়াদ শুরুর আগে অন্তর্বর্তী কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কনরাড। সে সময় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ একটি সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করে, যা ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ওই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ফর্মহীন টেম্বা বাভুমা দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেন, যাকে এর আগে টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ওই সিরিজেই বাভুমাকে টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেন কনরাড। বাভুমা বর্তমানে টেস্ট ও ওয়ানডে দলের অধিনায়ক এবং এইডেন মার্করাম টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হেড কোচ হিসেবে নতুন হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা বিশাল কনরাডের। পূর্ববর্তী ঘরোয়া ক্রিকেটের গঠন অনুযায়ী লায়ন্স এবং কোব্রাস দলকে কোচিং করিয়েছেন এবং চারটি শিরোপা জিতেছেন। যার মধ্যে তিনটিই ছিল সাদা বলের ফরম্যাটে। কনরাডের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা এ বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে। এই ম্যাচে প্রোটিয়াদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। কনরাডের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা টানা ৭টি টেস্ট জিতেছে, যা তাদের দ্বিতীয় দীর্ঘতম জয়রথ। এর আগে ২০০২-০৩ সালে টানা ৯টি টেস্ট জিতেছিল প্রোটিয়ারা।