Dhaka ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ হলো ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৭৩ Time View

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে ১টা ৭ মিনিটে শেষ হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।

ইজতেমার শেষ দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় ফজরের নামাজের পর। ভারতের মাওলানা মোরসালিন এ সময় বয়ান করেন, যার বাংলা তরজমা করেন মুফতি আজিম উদ্দিন। সকাল সাড়ে ৯টায় মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ হেদায়েতি বয়ান করেন, যা বাংলা ভাষায় তরজমা করেন মাওলানা মুনির বিন ইউসুফ।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লাখো মুসল্লি ইজতেমা ময়দানে জড়ো হন। মুসল্লিরা আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত কামনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। তাছাড়া দ্বীনের দাওয়াত সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যও প্রার্থনা করা হয়। মোনাজাত শেষে টঙ্গীর তুরাগ তীর “আমিন আমিন” ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর পাকিস্তানের মাওলানা হারুনের আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়। এতে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

মোনাজাত শেষে মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আটটি বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়েছে। তবে মহাসড়কে যান চলাচলে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়নি।

এর আগে, ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় শুরায়ি নেজামের (মাওলানা জুবায়ের অনুসারী) বিশ্ব ইজতেমা। ৫ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তাদের ইজতেমা শেষ হয়।

বিশ্ব ইজতেমা প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হলেও তাবলীগ জামাতের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণে এখন দুই পর্বে বিভক্ত হয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শেষ হলো ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমা

Update Time : ১০:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে ১টা ৭ মিনিটে শেষ হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।

ইজতেমার শেষ দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় ফজরের নামাজের পর। ভারতের মাওলানা মোরসালিন এ সময় বয়ান করেন, যার বাংলা তরজমা করেন মুফতি আজিম উদ্দিন। সকাল সাড়ে ৯টায় মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ হেদায়েতি বয়ান করেন, যা বাংলা ভাষায় তরজমা করেন মাওলানা মুনির বিন ইউসুফ।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লাখো মুসল্লি ইজতেমা ময়দানে জড়ো হন। মুসল্লিরা আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত কামনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। তাছাড়া দ্বীনের দাওয়াত সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যও প্রার্থনা করা হয়। মোনাজাত শেষে টঙ্গীর তুরাগ তীর “আমিন আমিন” ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর পাকিস্তানের মাওলানা হারুনের আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়। এতে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

মোনাজাত শেষে মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আটটি বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়েছে। তবে মহাসড়কে যান চলাচলে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়নি।

এর আগে, ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় শুরায়ি নেজামের (মাওলানা জুবায়ের অনুসারী) বিশ্ব ইজতেমা। ৫ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তাদের ইজতেমা শেষ হয়।

বিশ্ব ইজতেমা প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হলেও তাবলীগ জামাতের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণে এখন দুই পর্বে বিভক্ত হয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।