ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের চলাকালে সরাসরি ছাত্রদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। এমনকি ‘আলো আসবেই’ নামের বিতর্কিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রæপে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ‘গরম পানি’ ঢেলে দেওয়ার পরামর্শও দিতে দেখা যায় তাকে। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গোপনে দেশত্যাগ করেন এই অভিনেত্রী। গত বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আবেগি পোস্ট দিয়েছেন অরুণা বিশ্বাস। দীর্ঘ ৭ বছর পর খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের দেখা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গিয়েছেন খালেদা জিয়া। সেখানেই মা-ছেলের সাক্ষাৎ হয়েছে। খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের একটি ছবি পোস্ট করে অরুণা নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, ‘মা আর সন্তান এটাই পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর মুহূর্ত। মা।’ অরুণার এই ফেসবুক পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এই পোস্টের পর নেটিজেনদের কেউ কেউ তাকে ‘সুযোগসন্ধানী’ বলছেন তো কেউ আবার সরাসরি ‘পল্টিবাজ’ আখ্যা দেন। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেন অরুণা বিশ্বাস। প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর লক্ষ্যে তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত এবং আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ফেরদৌসের নেতৃত্বে ‘আলো আসবেই’ নামের ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রæপ খোলা হয়, যাতে আওয়ামীপন্থী শিল্পীরা যুক্ত ছিলেন। এই গ্রæপে অরুণা বিশ্বাস ছাড়াও আরও ছিলেন সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, রিয়াজ আহমেদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, ফজলুর রহমান বাবু, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, এস এ হক অলীকসহ অনেকে।