Dhaka ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উ. কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘কঠিন’ কৌশল চালু করার সিদ্ধান্ত নিলো

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৮৯ Time View

বিদেশ : নতুন বছর শুরুর আগে গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের একটি মূল নীতি নির্ধারণী বৈঠক করেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। দল ও সরকারি কর্মকর্তাদের ওই বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিহত করতে ‘সবচেয়ে কঠিন’ কৌশল চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এই তথ্য জানিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তা প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। কেসিএনএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যকার জোট একটি ‘পারমাণবিক সামরিক জোটে’ প্রসারিত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া হয়ে উঠেছে একটি ‘কমিউনিস্টবিরোধী ঘাঁটি’। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ‘এই বাস্তবতা এটি স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে আমাদের ঠিক কোন দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত এবং আমাদের কী ও কীভাবে করা উচিত।’ ২৩-২৭ ডিসেম্বরের ওই বৈঠকে চলতি বছরের শুরুর দিকে দেশটিতে হওয়া বন্যার মোকাবিলা নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়া, বৈঠকে “বন্ধুভাবাপন্ন” দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশটি। এ সময় কিম দেশের যুদ্ধ প্রতিরোধকে শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতির আহ্বান জানান। উত্তর কোরিয়ার এই ধরনের সভাগুলো প্রায়ই কয়েক দিন স্থায়ী হয় এবং সামপ্রতিক বছরগুলোতে এসব বৈঠকে দেশের মূল নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

উ. কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘কঠিন’ কৌশল চালু করার সিদ্ধান্ত নিলো

Update Time : ১২:৩৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪

বিদেশ : নতুন বছর শুরুর আগে গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের একটি মূল নীতি নির্ধারণী বৈঠক করেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। দল ও সরকারি কর্মকর্তাদের ওই বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিহত করতে ‘সবচেয়ে কঠিন’ কৌশল চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এই তথ্য জানিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তা প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। কেসিএনএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যকার জোট একটি ‘পারমাণবিক সামরিক জোটে’ প্রসারিত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া হয়ে উঠেছে একটি ‘কমিউনিস্টবিরোধী ঘাঁটি’। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ‘এই বাস্তবতা এটি স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে আমাদের ঠিক কোন দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত এবং আমাদের কী ও কীভাবে করা উচিত।’ ২৩-২৭ ডিসেম্বরের ওই বৈঠকে চলতি বছরের শুরুর দিকে দেশটিতে হওয়া বন্যার মোকাবিলা নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়া, বৈঠকে “বন্ধুভাবাপন্ন” দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশটি। এ সময় কিম দেশের যুদ্ধ প্রতিরোধকে শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতির আহ্বান জানান। উত্তর কোরিয়ার এই ধরনের সভাগুলো প্রায়ই কয়েক দিন স্থায়ী হয় এবং সামপ্রতিক বছরগুলোতে এসব বৈঠকে দেশের মূল নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।