Dhaka ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালগুলোতে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৭৬ Time View

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, উপজেলা এবং জেলা হাসপাতালগুলোতে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। চিকিৎসক, টেকনোলজিস্ট বা মেশিনারিজের মধ্যে কোনো একটি অংশ কাজ না করলে পুরো চিকিৎসাসেবাটা দেওয়া সম্ভব হবে না। তিনি সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স এবং টেকনোলজিস্টের অভাব আছে। যে সমস্যাগুলো আছে সেগুলো হয়তো একদিনে সমাধান করা সম্ভব হবে না। তবে আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে সেটি একটা পর্যায়ে গিয়ে সমাধান করা সম্ভব হবে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ধারণ ক্ষমতা আছে ২ হাজার ২শ জনের। রোগী ভর্তি থাকে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার। ধারণ ক্ষমতার বেশি রোগী ভর্তি হওয়ার কারণে একটু ব্যতিক্রম তো হবেই। এখানে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির যেসব আউটসোর্সিং কর্মী নেওয়া হয়, গত তিন-চার মাস ধরে তাদের বেতন নেই। তারা যেসব রোগীর কাজ করছেন তাদের কাছ থেকে কিছু পয়সা নেন। তবে আমরা বলছি, এভাবে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ হওয়া উচিত হয়নি। হাসপাতাল ও ক্লিনিক প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, দেশের ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারলে সদর হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কমবে। ইউনিয়ন লেভেলে কিছু ছোট ছোট ক্লিনিক হয়ে আছে। যেটাকে কমিউনিটি হেলথ্ ক্লিনিক বলা হয়, সেখানেও যে লোকবল থাকা উচিত তা নেই। উপজেলা হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, জেলা হাসপাতালগুলোতেও বেশ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। যে যন্ত্র, সার্জন ও টেকনোলজিস্ট সেখানে থাকলে যে কাজটা করা যেতো তা তারা পারছেন না। এখন এটা আছে তো ওটা নেই। এখানে মানুষ লাগে, টেকনেশিয়ান লাগে, যন্ত্র লাগে। পুরোটাই টিম ওয়ার্ক। এখানে টিমের একটা অংশ যদি না থাকে তাহলে কাজ এগিয়ে নেওয়া কষ্টকর হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, ল্যাবসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর হাসপাতাল কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মারমা, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

হাসপাতালগুলোতে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

Update Time : ১২:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, উপজেলা এবং জেলা হাসপাতালগুলোতে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। চিকিৎসক, টেকনোলজিস্ট বা মেশিনারিজের মধ্যে কোনো একটি অংশ কাজ না করলে পুরো চিকিৎসাসেবাটা দেওয়া সম্ভব হবে না। তিনি সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স এবং টেকনোলজিস্টের অভাব আছে। যে সমস্যাগুলো আছে সেগুলো হয়তো একদিনে সমাধান করা সম্ভব হবে না। তবে আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে সেটি একটা পর্যায়ে গিয়ে সমাধান করা সম্ভব হবে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ধারণ ক্ষমতা আছে ২ হাজার ২শ জনের। রোগী ভর্তি থাকে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার। ধারণ ক্ষমতার বেশি রোগী ভর্তি হওয়ার কারণে একটু ব্যতিক্রম তো হবেই। এখানে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির যেসব আউটসোর্সিং কর্মী নেওয়া হয়, গত তিন-চার মাস ধরে তাদের বেতন নেই। তারা যেসব রোগীর কাজ করছেন তাদের কাছ থেকে কিছু পয়সা নেন। তবে আমরা বলছি, এভাবে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ হওয়া উচিত হয়নি। হাসপাতাল ও ক্লিনিক প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, দেশের ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারলে সদর হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কমবে। ইউনিয়ন লেভেলে কিছু ছোট ছোট ক্লিনিক হয়ে আছে। যেটাকে কমিউনিটি হেলথ্ ক্লিনিক বলা হয়, সেখানেও যে লোকবল থাকা উচিত তা নেই। উপজেলা হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, জেলা হাসপাতালগুলোতেও বেশ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। যে যন্ত্র, সার্জন ও টেকনোলজিস্ট সেখানে থাকলে যে কাজটা করা যেতো তা তারা পারছেন না। এখন এটা আছে তো ওটা নেই। এখানে মানুষ লাগে, টেকনেশিয়ান লাগে, যন্ত্র লাগে। পুরোটাই টিম ওয়ার্ক। এখানে টিমের একটা অংশ যদি না থাকে তাহলে কাজ এগিয়ে নেওয়া কষ্টকর হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, ল্যাবসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর হাসপাতাল কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মারমা, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।