আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় চিকিৎসকদের ধর্মঘটের কারণে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার সুপ্রীম কোর্টকে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে উপস্থিত হয়ে সিনিয়র আইনজীবী কপিল সিবাল রাজ্য স্বাস্থ্য বিভাগের দায়ের করা একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেন। এরই মধ্যে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচ‚ড়ের নেতৃত্বে বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রসহ গঠিত বেঞ্চ সিল করা কভারে জমা দেওয়া প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করেছে। এদিকে আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিরাপত্তার জন্য দায়ী সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ) -কে লজিস্টিক সহায়তা দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যর্থতার কারণ খুঁজে বের করতে কেন্দ্র থেকে সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আবেদনে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) সরকারের কথিত সহযোগিতা দিতে ব্যর্থ হওয়াকে একটি গভীর সমস্যার ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং রাজ্য কর্তৃপক্ষকে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ) কে সম্পূর্ণ সহায়তা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৩১ বছর বয়সী জুনিয়র চিকিৎসককে বর্বরভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। এরপর চিকিৎসকের হত্যার প্রতিবাদে এবং কর্মক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকের নিরাপত্তার দাবিতে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেন হাজার হাজার মানুষ। এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট স্পর্শকাতর মামলাটি সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) কাছে হস্তান্তর করে। সিবিআইয়ের তদন্ত প্রায় এক মাস গড়ানোর পর এখন পর্যন্ত এই মামলায় সঞ্জয় রায় নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিবিআইয়ের একজন কর্মকর্তা পিটিআইকে জানান, ধর্ষণ ও হত্যাকাÐ ঘটানোর আলামত নষ্ট করে ফেলার কারণে এই তদন্ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস