1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

আগারকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি, ডিসেম্বরে আইপিএল নিলাম

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

স্পোর্টস: ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। আগারকারের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ৫ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, তার মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে আরও অন্তত দুই সপ্তাহ সময় নিতে চাইছে বোর্ড। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের আইপিএলের খেলোয়াড় নিলাম ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুম্বাইয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভার পর বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া আগারকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলেন, “আমাদের হাতে এখনো ১৫ দিন আছে। ক্রিকেটের দুনিয়ায় ১৫ দিন অনেক দীর্ঘ সময়। উপযুক্ত সময়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।” বিসিসিআইয়ের সভায়ও আগারকারের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আগারকারের সময়ে ভারতীয় ক্রিকেট দল বেশ কিছু বড় সাফল্য পেয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৬ সালে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। পুরুষ ক্রিকেটে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দলও তারা। এ সময়ে ২০২৩ ও ২০২৫ সালে দুটি এশিয়া কাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জিতেছে ভারত। তবে আগারকারের মেয়াদে কিছু কঠিন সময়ও এসেছে। ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের কাছে ঘরের মাঠে ০-৩ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হারে ভারত, যা ২০১২ সালের পর দেশের মাটিতে তাদের প্রথম টেস্ট সিরিজ হার। ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেও ০-২ ব্যবধানে সিরিজ হারে দল। এ সময় দলের নেতৃত্ব ও নির্বাচনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। রোহিত শর্মার কাছ থেকে শুবমান গিল পূর্ণকালীন ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব নেন এবং টি-টোয়েন্টিতে সূর্যকুমার যাদবের জায়গায় শ্রেয়াস আইয়ার দায়িত্ব পান। ক্রিকইনফো জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে বিসিসিআইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভায় আগারকারের অনুপস্থিতি তার চুক্তি নবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। তবে বোর্ড এখনো তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আইপিএল নিলাম
২০২৭ সালের আইপিএলের খেলোয়াড় নিলাম ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চক্রের এটিই হবে শেষ মিনি-অকশন। আইপিএলের দুই দশক পূর্তি উপলক্ষে ২০২৭ সালের আসরকে বড় পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনাও করেছে বিসিসিআই। সভায় অরুণ ধুমাল ও এম খায়রুল মজুমদারকে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে পুনর্র্নিবাচিত করা হয়েছে। বিসিসিআইয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতেও ২০২৭ সালের আইপিএলের ২০তম আসর বড় পরিসরে উদযাপনের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের সহায়তায় রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সাইকিয়া জানান, বিসিসিআইয়ের শতবর্ষ উদযাপনও শুরু হবে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে এবং তা এক বছরব্যাপী চলবে। বিসিসিআইয়ের আনুষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী, শতবর্ষ উদযাপনের কর্মসূচি ডিসেম্বর ২০২৭ থেকে শুরু হয়ে ২০২৮ সালজুড়ে চলবে। প্রায় এক দশক পর আম্পায়ারদের পারিশ্রমিক বাড়ল
ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিদের পারিশ্রমিকও পুনর্গঠন করেছে বিসিসিআই। ২০১৭-১৮ মৌসুমের পর এবারই প্রথম তাদের পারিশ্রমিকে পরিবর্তন আনা হলো। ২০১৮ সালের মে মাসে সর্বশেষ পারিশ্রমিক বাড়ানোর পর টি-টোয়েন্টি ছাড়া অন্যান্য ম্যাচে আম্পায়াররা দিনে ৪০ হাজার ভারতীয় রুপি এবং টি-টোয়েন্টিতে ২০ হাজার রুপি পেতেন। ম্যাচ রেফারিদের ক্ষেত্রে এই অঙ্ক ছিল যথাক্রমে ৩০ হাজার ও ১৫ হাজার রুপি। নতুন কাঠামোর সঠিক অঙ্ক সাইকিয়া জানাননি। তবে তিনি বলেছেন, দৈনিক পারিশ্রমিক “উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে”। নতুন ব্যবস্থায় আম্পায়ারদের এ, বি, সি ও ডি, এই চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হবে। ম্যাচ রেফারিদের পারিশ্রমিক কাঠামোও নতুন করে সাজানো হয়েছে। আম্পায়ারদের যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ম্যাচে দায়িত্ব দেওয়া হবে। সাইকিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, আম্পায়ারদের মূল্যায়নের জন্য একটি দল থাকবে। নকআউট বা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রেও পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হবে। প্রতিটি মৌসুম শেষে পদোন্নতি ও অবনমনের ব্যবস্থাও থাকবে। প্রতি মৌসুমে ১০ জন আম্পায়ারকে উন্নীত এবং ১০ জনকে নিচের শ্রেণিতে নামানো হবে। এতে পুরো মৌসুমজুড়ে তাদের সতর্ক ও প্রতিযোগিতামূলক থাকার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে বোর্ড। ঘোষের ভবিষ্যৎ নিয়েও পরে সিদ্ধান্ত
ভারতীয় পুরুষ দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে সুভদীপ ঘোষের নিয়োগও আপাতত স্বল্পমেয়াদি ভিত্তিতে হয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারতীয় নারী দলের সঙ্গে কাজ করা ঘোষ বর্তমানে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এঙ্েিলন্সে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। টি দিলীপের চুক্তি শেষ হওয়ার পর আগস্টে শ্রীলঙ্কা সফরের আগে ঘোষকে পুরুষ দলের ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তার পারফরম্যান্স এবং দলের ব্যবস্থাপনার মতামত মূল্যায়নের পর। জুনিয়র নির্বাচক কমিটিতেও নিয়োগ আসছে
পুরুষ ক্রিকেটের জুনিয়র নির্বাচক কমিটির নতুন সদস্য নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়ে নিচ্ছে বিসিসিআই। এস শরৎ নেতৃত্বাধীন কমিটির মেয়াদ গত মাসে শেষ হওয়ার পর পাঁচটি পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বোর্ড। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৫ সেপ্টেম্বর। সাইকিয়া জানিয়েছেন, ওই পদগুলোর জন্য বিপুলসংখ্যক আবেদন পাওয়া গেছে এবং সেগুলো থেকে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। এরপর তালিকাটি ক্রিকেট কমিটির কাছে দেওয়া হবে। তারাই জুনিয়র নির্বাচক বাছাইয়ের দায়িত্ব পালন করবে। বিসিসিআই সচিবের আশা, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে জুনিয়র নির্বাচক কমিটির নিয়োগ প্রক্রিয়াও শেষ করা সম্ভব হবে। সূত্র: ক্রিকইনফো

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd