1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

নাইটক্লাবের ঘটনায় মামলা হচ্ছে না, তবু তদন্তের মুখে কার্স

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

স্পোর্টস: ইংল্যান্ডের পেসার ব্রাইডন কার্সের বিরুদ্ধে ডার্বির একটি নাইটক্লাবের ঘটনায় কোনো অভিযোগ আনা হচ্ছে না। কথিত হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করলেও অভিযোগকারী আর কোনো অভিযোগ করতে না চাওয়ায় তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে ডার্বিশায়ার পুলিশ। তবে পুলিশি তদন্ত শেষ হলেও ক্রিকেট রেগুলেটরের আলাদা তদন্তের মুখে থাকছেন ৩১ বছর বয়সী এই পেসার।
গত ২৩ আগস্ট ভোরে ডার্বির ওয়ার্ডউইকের মলি ম্যালোনস নামের একটি নাইটক্লাবে পুলিশ ডাকা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কার্সকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা যায়। পুলিশ তাকে মাতাল ও বিশৃঙ্খল আচরণের সন্দেহে আটক করেছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর ইংল্যান্ডের টেস্ট দলে কার্সের জায়গা নিয়ে পরিবর্তন আসে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের বাকি টেস্টগুলোর দল থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়। পরে ডার্বিশায়ার পুলিশ তার বিরুদ্ধে কথিত হামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানায়। চলমান শ্রীলঙ্কা সিরিজের টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে দলেও রাখা হয়নি তাকে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে ডার্বিশায়ার পুলিশ জানায়, ডার্বি শহরের কেন্দ্রস্থলে কথিত হামলার বিষয়ে করা তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ করতে চাননি। ফলে এ ঘটনায় আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, “ডার্বি শহরের কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ নিয়ে তদন্ত বন্ধ করা হয়েছে।” এতে আরও জানানো হয়, ২৩ আগস্ট ভোরে ওয়ার্ডউইকের মলি ম্যালোনসে কর্মকর্তারা উপস্থিত হন এবং এক ব্যক্তিকে মাতাল ও বিশৃঙ্খল আচরণের সন্দেহে আটক করা হয়। পরে তার তথ্য নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশের তদন্ত শেষ হলেও কার্সের জন্য বিষয়টি পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না। এখন ক্রিকেট রেগুলেটর তার বিরুদ্ধে আলাদা তদন্ত করবে। এ বিষয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে।
ঘটনার সময় কার্স ডারহামের হয়ে খেলছিলেন। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টের জন্য ইংল্যান্ডের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায়ও আছেন এই পেসার। তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আগামী গ্রীষ্মের শেষে, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত।
ঘটনার পর কার্সকে নিয়ে ইংল্যান্ড দলের ভেতরেও কঠোর বার্তা এসেছে। লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে টেস্ট অধিনায়ক জো রুট পরিস্থিতি নিয়ে নিজের হতাশা প্রকাশ করে বলেছিলেন, তিনি “হ্যাকড অফ”বা ভীষণ বিরক্ত।
এরপর গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের সীমিত ওভারের দলের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম বলেন, কার্সকে আগে “নিজের বিষয়গুলো গুছিয়ে নিতে”হবে। এর আগে কার্সকে দলে না রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ইসিবি বলেছিল, ডার্বির ঘটনার পেছনে যে বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলো নিয়ে তাকে কাজ করতে হবে এবং “সঠিকভাবে নতুন করে শুরু করার”জন্য সময় নিতে হবে।
ঘটনার পরও কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ডারহামের হয়ে খেলছিলেন কার্স। তবে চলতি রাউন্ডে উস্টারশায়ারের বিপক্ষে ডারহামের ম্যাচে তাকে খেলানো হয়নি। ডারহাম জানিয়েছে, তিনি অসুস্থ ছিলেন। একই দিনে চেস্টার-লে-স্ট্রিটে ডারহাম যখন ডিভিশন টু শিরোপা জেতে, তখন দলের ট্রফি উদযাপনের ছবি বা দলীয় ছবিতেও ছিলেন না কার্স।
পুলিশি তদন্তে কোনো অভিযোগ না হওয়ায় কার্সের বিরুদ্ধে ওই ঘটনায় ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার পথ আপাতত বন্ধ হয়েছে। তবে ক্রিকেট রেগুলেটরের তদন্তের ফল কী হয়, সেটিই এখন তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের জন্য পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকছে। সূত্র: ক্রিকইনফো

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd