প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পূর্ব সরালিয়া গ্রামের মৃত হাশেম আলী তালুকদারের ছেলে লাল মিয়া তালুকদার ও তার চাচাত ভাই আঃ খালেক তালুকদার, ওহিদুল তালুকদারসহ ৩০টি কৃষক পরিবারকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ আলী আকাব্বার হাওলাদার, গফফার হাওলাদারসহ প্রভাবশালী একটি মহল ওই কৃষক পরিবারদেরকে বসত ভিটে বাড়ী মৎস্য ঘের থেকে উচ্ছেদের জন্য বহিরাগত ভাড়াটিয়া ২৫/৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কৃষক পরিবারের ওই জমিতে জোরপূর্বক ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু করে ও হামলা করে বাড়ীঘরে ভাংচুর চালায়। এসময় হামলাকারীদের বাধাঁ দিলে তারা লাল মিয়া তালুকদারের স্ত্রী শাহিনুর বেগম (৪২), তার ভাইয়ের স্ত্রী সেতারা বেগম (৫৬) ও তার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৫০) কে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করে। আহতরা মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩দিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফিরে আসে। প্রভাবশালীরা এর পরে ক্ষ্যান্ত না হয়ে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে কয়েক দফায় জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার ভূক্তভোগী ওই ৩০টি পরিবারের লাল মিয়া তালুকদার, ওহিদুল তালুকদার, মহিদ তালুকদার, কালাম তালুকদার, মিরাজ তালুকদার, খাদিজা বেগম, মঞ্জু বেগম সহ অর্ধশতাধিক নারী পুরুষ অভিযোগ করে বলেন, বাপ দাদার পৈত্রিক ভিটে মাটিতে প্রায় ৬০ বছর ধরে ১০ একর ৩৩ শতক জমিতে বংশ পরস্পরায় শান্তিপ্রিয়ভাবে ভোগ দখল করে আসছি। একবিন্দু রক্ত থাকতে ভিটেমাটি ছেড়ে কোথাও যাবো না। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদেরকে জমি থেকে উচ্ছেদ করতে চায়। স্থানীয় ক্ষমতাধর মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক ফরিদুল ইসলাম ও পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী মাহমুদা বেগমের মধ্যস্থতায় ৫ লাখ টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে যাহা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে ফাঁস হওয়া ভিডিও ফোনালাপ। মারপিটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আদালতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাও মানছেনা প্রভাবশালীরা। ছেলে মেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে বহিরাগতদের ভয়ে আতংকে দিন কাটাতে হচ্ছে আমাদের। তারা এ বিষয়ে উর্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুদ্দীন বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে মারপিটের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 











