Dhaka ০২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শামীম ওসমানের গুলিতে পোশাকশ্রমিক নিহতের অভিযোগ, আইভীও আসামি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৪৪ Time View

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মনিরুল ইসলাম নামে এক পোশাকশ্রমিক নিহতের ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান ও সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও ২০০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিহতের ভাই নাজমুল হক বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, সাবেক মন্ত্রী ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সাংসদ কায়সার হাসানাত, সাবেক এমপি শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, নূর উদ্দিন মিয়া, শাহজালাল বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, সাবেক মেয়র আইভীর ভাই ও শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা উজ্জ্বল, সাংবাদিক রাজু আহাম্মদ, অ্যাডভোকেট সুইটি ইয়াসমিন, এনায়েত হোসেন, বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আতাউর রহমান মুকুলসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও সন্ত্রাসীদের দ্বারা ছাত্র আন্দোলনকে প্রতিহত করার নির্দেশ দেন সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তার নির্দেশে গত ২০ জুলাই উল্লিখিত আসামিদের নেতৃত্বে ৩০০-৪০০ জন আওয়ামী সন্ত্রাসী বন্দুক, শটগান, পিস্তল, তলোয়ার, রামদা, চাপাতিসহ অত্যাধুনিক দেশি ও বিদেশি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। এ সময় আদমজী রোডের আল আমিন নগর পাওয়ার হাউজের সামনে থেকে তাদের হাতে থাকা ককটেল বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে ঘটাতে সামনের দিকে আগাতে থাকে। এ অবস্থায় আসামিরা তাদের সঙ্গে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে চারদিকে গুলি ছুড়তে থাকে। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টায় মুজিব ফ্যাশনের সামনে পোশাকশ্রমিক মনিরুল ইসলাম হামলাকারীদের সামনে পড়ে যান। এ সময় আসামি শামীম ওসমান তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে তাকে (মনিরুল) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। সেই গুলি তার বাঁ পাশের কিডনির নিচে বিদ্ধ হয়। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

Tag :
About Author Information

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

শামীম ওসমানের গুলিতে পোশাকশ্রমিক নিহতের অভিযোগ, আইভীও আসামি

Update Time : ১২:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মনিরুল ইসলাম নামে এক পোশাকশ্রমিক নিহতের ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান ও সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও ২০০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিহতের ভাই নাজমুল হক বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, সাবেক মন্ত্রী ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সাংসদ কায়সার হাসানাত, সাবেক এমপি শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, নূর উদ্দিন মিয়া, শাহজালাল বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, সাবেক মেয়র আইভীর ভাই ও শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা উজ্জ্বল, সাংবাদিক রাজু আহাম্মদ, অ্যাডভোকেট সুইটি ইয়াসমিন, এনায়েত হোসেন, বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আতাউর রহমান মুকুলসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও সন্ত্রাসীদের দ্বারা ছাত্র আন্দোলনকে প্রতিহত করার নির্দেশ দেন সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তার নির্দেশে গত ২০ জুলাই উল্লিখিত আসামিদের নেতৃত্বে ৩০০-৪০০ জন আওয়ামী সন্ত্রাসী বন্দুক, শটগান, পিস্তল, তলোয়ার, রামদা, চাপাতিসহ অত্যাধুনিক দেশি ও বিদেশি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। এ সময় আদমজী রোডের আল আমিন নগর পাওয়ার হাউজের সামনে থেকে তাদের হাতে থাকা ককটেল বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে ঘটাতে সামনের দিকে আগাতে থাকে। এ অবস্থায় আসামিরা তাদের সঙ্গে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে চারদিকে গুলি ছুড়তে থাকে। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টায় মুজিব ফ্যাশনের সামনে পোশাকশ্রমিক মনিরুল ইসলাম হামলাকারীদের সামনে পড়ে যান। এ সময় আসামি শামীম ওসমান তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে তাকে (মনিরুল) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। সেই গুলি তার বাঁ পাশের কিডনির নিচে বিদ্ধ হয়। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।