Dhaka ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রহস্যের কিনারা হয়নি ব্রাজিলের উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪
  • ২৪৯ Time View

বিদেশ : ব্রাজিলের বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের খুঁজে পাওয়া ব্লাক বক্সের সব তথ্য এখন তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে থাকলেও সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেনি। বুধবার এমনটি জানিয়েছে দেশটির গ্লোবো টেলিভিশন স্টেশন। ৯ অগাস্ট ভোইপাস এয়ারলাইন্সের ওই ফ্লাইট ব্রাজিলের সাও পাউলু শহরের কাছে ৬২ জন আরোহীসহ বিধ্বস্ত হয়। এতে সব আরোহীর মৃত্যু হয়। ব্রাজিলের স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় গেøাবো টেলিভিশন তদন্তের সঙ্গে জড়িত অনামা লোকজনকে উদ্ধৃত করে জানায়, উড়োজাহাজটির ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের অনুলিপি থেকে দেখা গেছে পাইলট ও কোপাইলট বিধ্বস্ত হওয়ার প্রায় এক মিনিট আগে তাদের উচ্চতার হঠাৎ হ্রাসের বিষয়টি খেয়াল করেন। তবে গেøাবো টেলিভিশন ওই ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের অডিও বা অনুলিপি প্রকাশ করেনি, জানিয়েছে রয়টার্স। গেøাবোর তথ্য অনুযায়ী, ওই অনুলিপিতে প্রায় দুই ঘণ্টার রেকর্ডকৃত কথোপকথনের বর্ণনা ছিল। এর মধ্যে এক প্রশ্নে কোপাইলট পাইলটকে জিজ্ঞেস করছেন, কী হতে যাচ্ছে আর তারপর বলেন, উড়োজাহাজটিকে স্থিতিশীল করতে ‘আরও শক্তি’ প্রয়োজন। ব্রাজিলের ভোইপাস এয়ারলাইন্সের এআরটি-৭২ টার্বোপ্রোপ উড়োজাহাজটি দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য পারানার কাসকাভেল থেকে সাও পাউলু রাজ্যের রাজধানী সাও পাউলু উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে সাও পাউলু শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে ভিনহেদোতে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হলেও এর আরোহী ছাড়া আর কেউ মারা যায়নি। এক বিবৃতিতে ব্রাজিলের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, দুপুর ১টা ২১ মিনিট পর্যন্তে উড়োজাহাজটি স্বাভাবিকভাবে উড়ছিল, এরপর কন্ট্রোল টাওয়ারের কলে সাড়া দেওয়া বন্ধ হয়ে যায় আর ১টা ২২ মিনিটে রেডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে উড়োজাহাজটির পাইলট কোনো জরুরি অবস্থা বা প্রতিকুল আবহাওয়া পরিস্থিতির কথা জানাননি। এমনকি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি যখন অস্বাভাবিক সর্পিল গতিতে নিচের দিকে পড়তে শুরু করে তখন আকাশ একদম পরিষ্কার ছিল। বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বিধ্বস্ত হওয়ার ভিডিওগুলো খতিয়ে দেখে ধারণা করছেন উড়োজাহাজটিতে হয়তো বরফ জমেছিল। শুক্রবার ভোইপাস এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, উড়োজাহাজাট যে উচ্চতায় উড়ছিল সেখানে বরফ জমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, সেটি থাকলেও তা গ্রহযোগ্য মাত্রার মধ্যেই থাকার কথা। ব্রাজিলের বিমান প্রকৌশলী ও দুর্ঘটনা তদন্তকারী সেলসো ফারিয়া ডি সুজা বলেন, ভিডিও দেখে তিনিও প্রায় নিশ্চিত, বরফের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

রহস্যের কিনারা হয়নি ব্রাজিলের উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার

Update Time : ১১:৫৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪

বিদেশ : ব্রাজিলের বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের খুঁজে পাওয়া ব্লাক বক্সের সব তথ্য এখন তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে থাকলেও সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেনি। বুধবার এমনটি জানিয়েছে দেশটির গ্লোবো টেলিভিশন স্টেশন। ৯ অগাস্ট ভোইপাস এয়ারলাইন্সের ওই ফ্লাইট ব্রাজিলের সাও পাউলু শহরের কাছে ৬২ জন আরোহীসহ বিধ্বস্ত হয়। এতে সব আরোহীর মৃত্যু হয়। ব্রাজিলের স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় গেøাবো টেলিভিশন তদন্তের সঙ্গে জড়িত অনামা লোকজনকে উদ্ধৃত করে জানায়, উড়োজাহাজটির ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের অনুলিপি থেকে দেখা গেছে পাইলট ও কোপাইলট বিধ্বস্ত হওয়ার প্রায় এক মিনিট আগে তাদের উচ্চতার হঠাৎ হ্রাসের বিষয়টি খেয়াল করেন। তবে গেøাবো টেলিভিশন ওই ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের অডিও বা অনুলিপি প্রকাশ করেনি, জানিয়েছে রয়টার্স। গেøাবোর তথ্য অনুযায়ী, ওই অনুলিপিতে প্রায় দুই ঘণ্টার রেকর্ডকৃত কথোপকথনের বর্ণনা ছিল। এর মধ্যে এক প্রশ্নে কোপাইলট পাইলটকে জিজ্ঞেস করছেন, কী হতে যাচ্ছে আর তারপর বলেন, উড়োজাহাজটিকে স্থিতিশীল করতে ‘আরও শক্তি’ প্রয়োজন। ব্রাজিলের ভোইপাস এয়ারলাইন্সের এআরটি-৭২ টার্বোপ্রোপ উড়োজাহাজটি দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য পারানার কাসকাভেল থেকে সাও পাউলু রাজ্যের রাজধানী সাও পাউলু উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে সাও পাউলু শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে ভিনহেদোতে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হলেও এর আরোহী ছাড়া আর কেউ মারা যায়নি। এক বিবৃতিতে ব্রাজিলের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, দুপুর ১টা ২১ মিনিট পর্যন্তে উড়োজাহাজটি স্বাভাবিকভাবে উড়ছিল, এরপর কন্ট্রোল টাওয়ারের কলে সাড়া দেওয়া বন্ধ হয়ে যায় আর ১টা ২২ মিনিটে রেডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে উড়োজাহাজটির পাইলট কোনো জরুরি অবস্থা বা প্রতিকুল আবহাওয়া পরিস্থিতির কথা জানাননি। এমনকি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি যখন অস্বাভাবিক সর্পিল গতিতে নিচের দিকে পড়তে শুরু করে তখন আকাশ একদম পরিষ্কার ছিল। বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বিধ্বস্ত হওয়ার ভিডিওগুলো খতিয়ে দেখে ধারণা করছেন উড়োজাহাজটিতে হয়তো বরফ জমেছিল। শুক্রবার ভোইপাস এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, উড়োজাহাজাট যে উচ্চতায় উড়ছিল সেখানে বরফ জমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, সেটি থাকলেও তা গ্রহযোগ্য মাত্রার মধ্যেই থাকার কথা। ব্রাজিলের বিমান প্রকৌশলী ও দুর্ঘটনা তদন্তকারী সেলসো ফারিয়া ডি সুজা বলেন, ভিডিও দেখে তিনিও প্রায় নিশ্চিত, বরফের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।