Dhaka ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ার সরকারি টিভি’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২২০ Time View

বিদেশ : যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করছে রাশিয়ার সরকারি টিভি। এমন অভিযোগে রাশিয়ার ওই সরকারি টিভির সম্পাদকসহ অনেকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, আরটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ১০ জন ও দুইটি সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে আর টিভির প্রধান সম্পাদক, সহকারী প্রধান সম্পাদকও আছেন। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি জ্যানেট ইয়েলেন বলেছেন, আমাদের দেশের সংস্থার উপর থেকে যাতে মানুষের আস্থা চলে যায়, সেজন্য সরকারি মদতে মিথ্যা প্রচার চলছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার এই ব্যবস্থা নিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা এই ধরনের প্রচারের পিছনে যারা আছে, তাদের দায়বদ্ধ করবে। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্তরা যুক্তরাষ্ট্রের মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য সামাজিক মাধ্যমে প্রভাবশালীদের নিয়োগ করেছিলেন। তাদের মাধ্যমে তারা ক্রেমলিনপন্থি বার্তা দেয়ার চেষ্টা করছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল গারল্যান্ড জানিয়েছেন, রাশিয়ার আরটি নেটওয়ার্কের দুইজন কর্মী নিউ ইয়র্কে বিদেশি মুদ্রা আইন এবং বিদেশি এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন আইন ভাঙার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, ওই দুই অভিযুক্ত টেনেসি-ভিত্তিক একটি কোম্পানিকে অর্থ দিয়েছিল। রাশিয়ার পক্ষে প্রচার চালানোর জন্য এই অর্থ দেয়া হয়। ওই কোম্পানি অ্যামেরিকায় সামাজিক মাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সারদের দিয়ে এই প্রচার চালাবে বলে ঠিক হয়। মার্কিন সরকার জানিয়েছে, এরপর ওই সংস্থা প্রায় দুই হাজার ভিডিও বানায়। অভিবাসন, মুদ্রাস্ফীতির মতো বিষয়গুলি নিয়ে। নভেম্বর থেকে এক কোটি ৬০ লাখ বার সেই ভিডিও দেখেছেন মানুষ। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন আরটি নেটওয়ার্কের এই কাজের কথা জানতেন। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, আমাদের বিশ্বাস পুতিন এই নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রথমবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলো এমন নয়। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২০ সালেও রাশিয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুক‚লে ভোটদাতাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল। ২০১৬ সালের ভোটেও রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছিল বলে মার্কিন গোয়েন্দারা মনে করেন। সেখানেও তারা ট্রাম্পের পক্ষেই ছিল বলে তারা মনে করছেন। পরে ট্রাম্পের টিমের সঙ্গে রাশিয়ার বেআইনি আঁতাত নিয়ে তদন্তও হয়। কিন্তু সেই তদন্তে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

অবৈধ ডিগ্রি, দুদকের অভিযান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য  করে চিকিৎসা,তবুও বহাল তবিয়্যতে চেম্বার

যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ার সরকারি টিভি’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

Update Time : ০১:২৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বিদেশ : যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করছে রাশিয়ার সরকারি টিভি। এমন অভিযোগে রাশিয়ার ওই সরকারি টিভির সম্পাদকসহ অনেকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, আরটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ১০ জন ও দুইটি সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে আর টিভির প্রধান সম্পাদক, সহকারী প্রধান সম্পাদকও আছেন। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি জ্যানেট ইয়েলেন বলেছেন, আমাদের দেশের সংস্থার উপর থেকে যাতে মানুষের আস্থা চলে যায়, সেজন্য সরকারি মদতে মিথ্যা প্রচার চলছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার এই ব্যবস্থা নিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা এই ধরনের প্রচারের পিছনে যারা আছে, তাদের দায়বদ্ধ করবে। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্তরা যুক্তরাষ্ট্রের মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য সামাজিক মাধ্যমে প্রভাবশালীদের নিয়োগ করেছিলেন। তাদের মাধ্যমে তারা ক্রেমলিনপন্থি বার্তা দেয়ার চেষ্টা করছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল গারল্যান্ড জানিয়েছেন, রাশিয়ার আরটি নেটওয়ার্কের দুইজন কর্মী নিউ ইয়র্কে বিদেশি মুদ্রা আইন এবং বিদেশি এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন আইন ভাঙার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, ওই দুই অভিযুক্ত টেনেসি-ভিত্তিক একটি কোম্পানিকে অর্থ দিয়েছিল। রাশিয়ার পক্ষে প্রচার চালানোর জন্য এই অর্থ দেয়া হয়। ওই কোম্পানি অ্যামেরিকায় সামাজিক মাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সারদের দিয়ে এই প্রচার চালাবে বলে ঠিক হয়। মার্কিন সরকার জানিয়েছে, এরপর ওই সংস্থা প্রায় দুই হাজার ভিডিও বানায়। অভিবাসন, মুদ্রাস্ফীতির মতো বিষয়গুলি নিয়ে। নভেম্বর থেকে এক কোটি ৬০ লাখ বার সেই ভিডিও দেখেছেন মানুষ। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন আরটি নেটওয়ার্কের এই কাজের কথা জানতেন। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, আমাদের বিশ্বাস পুতিন এই নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রথমবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলো এমন নয়। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২০ সালেও রাশিয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুক‚লে ভোটদাতাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল। ২০১৬ সালের ভোটেও রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছিল বলে মার্কিন গোয়েন্দারা মনে করেন। সেখানেও তারা ট্রাম্পের পক্ষেই ছিল বলে তারা মনে করছেন। পরে ট্রাম্পের টিমের সঙ্গে রাশিয়ার বেআইনি আঁতাত নিয়ে তদন্তও হয়। কিন্তু সেই তদন্তে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।