Dhaka ০১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসিকে ক্ষমা চাইতে বলায় গাররো ছাঁটাই

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪
  • ২৫৬ Time View

স্পোর্টস: আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ‘বর্ণবাদী গান’ গাওয়া নিয়ে অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়াকে ক্ষমা চাইতে বলে বিপাকে পড়েছেন হুলিও গাররো। দেশটির ক্রীড়া বিষয়ক ‘আন্ডার-সেক্রেটারি’র পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গাররোকে পদচ্যুত করার কথা বুধবার নিশ্চিত করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। “প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হচ্ছে যে, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও দুইবারের কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জাতীয় দল বা অন্য কোনো নাগরিককে কী মন্তব্য করতে হবে, কী ভাবতে হবে বা কী করতে হবে, তা কোনো সরকার বলতে পারে না। “এ কারণে হুলিও গাররো দেশটির ক্রীড়া বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি পদে আর থাকছেন না।” ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ সময় গত সোমবার সকালের ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা ধরে রাখে আর্জেন্টিনা। এরপর উদযাপনের একপর্যায়ে আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে ফ্রান্স দল, যাদের হারিয়ে ২০২২ বিশ্বকাপ জিতেছিল তারা। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনসো ফের্নান্দেস একটি ভিডিও পোস্ট করেন সামাজিক মাধ্যমে। যা খুব দ্রæতই ছড়িয়ে পড়ে এক্স ও ইনস্টাগ্রামে। সেখানে দেখা যায়, ফ্রান্স দলের আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের দিকে বাজে ইঙ্গিত করে গান গাইছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। আফ্রিকান বিভিন্ন দেশ থেকে এসে তারা ফ্রান্সের পাসপোর্ট নিচ্ছে, এরকম ছিল গানের কথা। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের দিকে কুৎসিত ইঙ্গিতও ছিল সেই গানে। এই ভিডিও নিয়ে তোলপাড় ওঠার পর তা সরিয়ে ফেলে ক্ষমা চান ফের্নান্দেস। যদিও তার ক্লাব চেলসি ও ফিফা ওই ঘটনা নিয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে। এসবের মধ্যেই বুধবা আর্জেন্টিনার একটি এফএম রেডিওতে মেসি ও তাপিয়ার ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন গাররো। “আমি মনে করি, জাতীয় দলের অধিনায়কের প্রকাশ্েয ক্ষমা চাওয়া উচিত। এএফএ সভাপতির ক্ষেত্রেও তাই। এটি (বর্ণবাদী গান) এমন কিছু, যা দেশ হিসেবে আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে।” কিছুক্ষণ পরই অবশ্য নিজের সুর বদলে ফেলেন গাররো। আগের বক্তব্য থেকে সরে এসে সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “মেসিকে ক্ষমা চাইতে বলার কথা আমি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করছি। এটি এমন একজনের প্রতি অসম্মান হবে, যিনি তার মানবিক ও ক্রীড়া গুণাবলী দিয়ে আমাদের গর্বিত করেন।” ততক্ষণে অবশ্য দেরি হয়ে গেছে। তার এমন মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি আর্জেন্টিনা সরকার।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

মেসিকে ক্ষমা চাইতে বলায় গাররো ছাঁটাই

Update Time : ১২:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

স্পোর্টস: আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ‘বর্ণবাদী গান’ গাওয়া নিয়ে অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়াকে ক্ষমা চাইতে বলে বিপাকে পড়েছেন হুলিও গাররো। দেশটির ক্রীড়া বিষয়ক ‘আন্ডার-সেক্রেটারি’র পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গাররোকে পদচ্যুত করার কথা বুধবার নিশ্চিত করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। “প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হচ্ছে যে, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও দুইবারের কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জাতীয় দল বা অন্য কোনো নাগরিককে কী মন্তব্য করতে হবে, কী ভাবতে হবে বা কী করতে হবে, তা কোনো সরকার বলতে পারে না। “এ কারণে হুলিও গাররো দেশটির ক্রীড়া বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি পদে আর থাকছেন না।” ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ সময় গত সোমবার সকালের ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা ধরে রাখে আর্জেন্টিনা। এরপর উদযাপনের একপর্যায়ে আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে ফ্রান্স দল, যাদের হারিয়ে ২০২২ বিশ্বকাপ জিতেছিল তারা। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনসো ফের্নান্দেস একটি ভিডিও পোস্ট করেন সামাজিক মাধ্যমে। যা খুব দ্রæতই ছড়িয়ে পড়ে এক্স ও ইনস্টাগ্রামে। সেখানে দেখা যায়, ফ্রান্স দলের আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের দিকে বাজে ইঙ্গিত করে গান গাইছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। আফ্রিকান বিভিন্ন দেশ থেকে এসে তারা ফ্রান্সের পাসপোর্ট নিচ্ছে, এরকম ছিল গানের কথা। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের দিকে কুৎসিত ইঙ্গিতও ছিল সেই গানে। এই ভিডিও নিয়ে তোলপাড় ওঠার পর তা সরিয়ে ফেলে ক্ষমা চান ফের্নান্দেস। যদিও তার ক্লাব চেলসি ও ফিফা ওই ঘটনা নিয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে। এসবের মধ্যেই বুধবা আর্জেন্টিনার একটি এফএম রেডিওতে মেসি ও তাপিয়ার ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন গাররো। “আমি মনে করি, জাতীয় দলের অধিনায়কের প্রকাশ্েয ক্ষমা চাওয়া উচিত। এএফএ সভাপতির ক্ষেত্রেও তাই। এটি (বর্ণবাদী গান) এমন কিছু, যা দেশ হিসেবে আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে।” কিছুক্ষণ পরই অবশ্য নিজের সুর বদলে ফেলেন গাররো। আগের বক্তব্য থেকে সরে এসে সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “মেসিকে ক্ষমা চাইতে বলার কথা আমি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করছি। এটি এমন একজনের প্রতি অসম্মান হবে, যিনি তার মানবিক ও ক্রীড়া গুণাবলী দিয়ে আমাদের গর্বিত করেন।” ততক্ষণে অবশ্য দেরি হয়ে গেছে। তার এমন মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি আর্জেন্টিনা সরকার।