Dhaka ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন কিংবদন্তি জিমি ক্লিফ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৩ Time View

জিমি ক্লিফ। ষাটের দশকে বব মার্লের সঙ্গে মিলে রেগে, স্কা ও রকস্টেডি সংগীতকে আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় করেছিলেন। তিনি কিংস্টনে ৮১ বছর বয়সে মারা গেছেন। তার মৃত্যুর কারণ ছিল শ্বাসরোধজনিত সমস্যা ও নিউমোনিয়া। জিমির পারিবারিক নাম জেমস চেম্বারস। তিনি ১৯৪৪ সালের ৩০ জুলাই জ্যামাইকার সেন্ট জেমস প্যারিশে একটি হারিকেনের সময় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০-এর দশকে পরিবারসহ গ্রামের ফার্ম থেকে রাজধানী কিংস্টনে চলে আসেন সংগীত জগতে সফল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি ‘হারিকেন হ্যাটি’ গানটির মাধ্যমে দেশজুড়ে খ্যাতি পান। ক্লিফ ৬ দশক ধরে ৩০টিরও বেশি অ্যালবাম রেকর্ড করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, যেমন প্যারিস, ব্রাজিল ও ১৯৬৪ সালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বিশ্বমেলায় সংগীত পরিবেশন করেন। পরবর্তীতে আইল্যান্ড রেকর্ডসের ক্রিস ব্ল্যাকওয়েল তাকে যুক্তরাজ্যে কাজ করার আমন্ত্রণ জানান। ১৯৭২ সালে পেরি হেনজেল পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘দ্য হার্ডার দে কাম’-এ অভিনয় করে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে রেগে সংগীতে পরিচিতি লাভ করেন। সিনেমাটি জ্যামাইকার দৈনন্দিন জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরে। দ্বীপটিকে শুধুমাত্র পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেখার ধারণাও বদলে দেয় ছবিটি। ‘ইউ ক্যান গেট ইট ইফ ইউ রিয়ালি ওয়ান্ট ইট’, ‘মেনি রিভারস টু ক্রস’, ১৯৯৩ সালের চলচ্চিত্র কুল রানিংস-এর সাউন্ডট্র্যাকে অন্তর্ভুক্ত জনি ন্যাশের ‘আই ক্যান সি ক্লিয়ারলি নাউ’ ও ক্যাট স্টিভেন্সের ‘ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড’ কভারসহ অনেক গানের সঙ্গে অমর হয়ে থাকবেন জিমি ক্লিফ।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

অবৈধ ডিগ্রি, দুদকের অভিযান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য  করে চিকিৎসা,তবুও বহাল তবিয়্যতে চেম্বার

মারা গেছেন কিংবদন্তি জিমি ক্লিফ

Update Time : ০৭:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

জিমি ক্লিফ। ষাটের দশকে বব মার্লের সঙ্গে মিলে রেগে, স্কা ও রকস্টেডি সংগীতকে আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় করেছিলেন। তিনি কিংস্টনে ৮১ বছর বয়সে মারা গেছেন। তার মৃত্যুর কারণ ছিল শ্বাসরোধজনিত সমস্যা ও নিউমোনিয়া। জিমির পারিবারিক নাম জেমস চেম্বারস। তিনি ১৯৪৪ সালের ৩০ জুলাই জ্যামাইকার সেন্ট জেমস প্যারিশে একটি হারিকেনের সময় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০-এর দশকে পরিবারসহ গ্রামের ফার্ম থেকে রাজধানী কিংস্টনে চলে আসেন সংগীত জগতে সফল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি ‘হারিকেন হ্যাটি’ গানটির মাধ্যমে দেশজুড়ে খ্যাতি পান। ক্লিফ ৬ দশক ধরে ৩০টিরও বেশি অ্যালবাম রেকর্ড করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, যেমন প্যারিস, ব্রাজিল ও ১৯৬৪ সালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বিশ্বমেলায় সংগীত পরিবেশন করেন। পরবর্তীতে আইল্যান্ড রেকর্ডসের ক্রিস ব্ল্যাকওয়েল তাকে যুক্তরাজ্যে কাজ করার আমন্ত্রণ জানান। ১৯৭২ সালে পেরি হেনজেল পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘দ্য হার্ডার দে কাম’-এ অভিনয় করে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে রেগে সংগীতে পরিচিতি লাভ করেন। সিনেমাটি জ্যামাইকার দৈনন্দিন জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরে। দ্বীপটিকে শুধুমাত্র পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেখার ধারণাও বদলে দেয় ছবিটি। ‘ইউ ক্যান গেট ইট ইফ ইউ রিয়ালি ওয়ান্ট ইট’, ‘মেনি রিভারস টু ক্রস’, ১৯৯৩ সালের চলচ্চিত্র কুল রানিংস-এর সাউন্ডট্র্যাকে অন্তর্ভুক্ত জনি ন্যাশের ‘আই ক্যান সি ক্লিয়ারলি নাউ’ ও ক্যাট স্টিভেন্সের ‘ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড’ কভারসহ অনেক গানের সঙ্গে অমর হয়ে থাকবেন জিমি ক্লিফ।