Dhaka ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশেষ বিমানে নিহত ৪৫ ভারতীয় কেরালায় পৌঁছেছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪
  • ৩২৫ Time View

বিদেশ : কুয়েতের বহুতল ভবনে আগুনে মারা যাওয়া ৪৫ জনের দেহ নিয়ে কেরালায় পৌঁছেছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিশেষ বিমান। কুয়েতের মাগনাফে একটি বহুতল ভবনে বিধ্বংসী আগুনে ৪৫ জন ভারতীয় প্রাণ হারান এবং ৩৩ জন আহত হন। তবে এর আগে এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, নিহত ৪৯ জনের সবাই ভারতীয় নাগরিক। তবে নিহতদের মধ্যে অন্যান্য দেশওর নাগরিকও রয়েছে। ঘটনার দুই দিন পর ৪৫ জনের মরদেহ নিয়ে বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ বিমান কেরালায় কোচিতে এলো। মৃত ৪৫ জনের মধ্যে ২৪ জনই কেরালার। তাই বিমানটি প্রথমে কোচিতে নামে। কেরালা ছাড়াও তামিলনাড়ু থেকে সাতজন, উত্তরপ্রদেশ থেকে তিনজন, ওড়িশা থেকে দুইজন এবং বিহার, পাঞ্জাব, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে একজন মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং কুয়েত গিয়েছিলেন এই মৃতদেহগুলো দ্রæত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য। তিনিও বিশেষ বিমানেই কোচি এসেছেন। গত বৃহস্পতিবার কীর্তি বর্ধন বলেছিলেন, অনেকগুলো দেহ এমনভাবে পুড়ে গেছে যে, তাদের চেনার কোনো উপায় নেই। তাদের পরিচয় নির্ধারণ করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। কেরালার মন্ত্রী বীনা জর্জকে কুয়েতে পাঠাতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। বীনা জর্জ গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাকে কুয়েত যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। কেরালার দুর্ঘটনাগ্রস্ত মানুষদের সাহায্য করার জন্য তিনি কুয়েত যেতে চেয়েছিলেন। বীনা জর্জের অভিযোগ, কুয়েতের দূতাবাসও সব খবর দিচ্ছে না। তারা কুয়েত থেকে যে তথ্য পেয়েছেন, তা হলো, সাতজন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার মধ্যে চারজন কেরালার মানুষ। কিন্তু এটা সরকারিভাবে জানানো হয়নি।

Tag :
About Author Information

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

বিশেষ বিমানে নিহত ৪৫ ভারতীয় কেরালায় পৌঁছেছে

Update Time : ০১:০১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

বিদেশ : কুয়েতের বহুতল ভবনে আগুনে মারা যাওয়া ৪৫ জনের দেহ নিয়ে কেরালায় পৌঁছেছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিশেষ বিমান। কুয়েতের মাগনাফে একটি বহুতল ভবনে বিধ্বংসী আগুনে ৪৫ জন ভারতীয় প্রাণ হারান এবং ৩৩ জন আহত হন। তবে এর আগে এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, নিহত ৪৯ জনের সবাই ভারতীয় নাগরিক। তবে নিহতদের মধ্যে অন্যান্য দেশওর নাগরিকও রয়েছে। ঘটনার দুই দিন পর ৪৫ জনের মরদেহ নিয়ে বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ বিমান কেরালায় কোচিতে এলো। মৃত ৪৫ জনের মধ্যে ২৪ জনই কেরালার। তাই বিমানটি প্রথমে কোচিতে নামে। কেরালা ছাড়াও তামিলনাড়ু থেকে সাতজন, উত্তরপ্রদেশ থেকে তিনজন, ওড়িশা থেকে দুইজন এবং বিহার, পাঞ্জাব, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে একজন মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং কুয়েত গিয়েছিলেন এই মৃতদেহগুলো দ্রæত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য। তিনিও বিশেষ বিমানেই কোচি এসেছেন। গত বৃহস্পতিবার কীর্তি বর্ধন বলেছিলেন, অনেকগুলো দেহ এমনভাবে পুড়ে গেছে যে, তাদের চেনার কোনো উপায় নেই। তাদের পরিচয় নির্ধারণ করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। কেরালার মন্ত্রী বীনা জর্জকে কুয়েতে পাঠাতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। বীনা জর্জ গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাকে কুয়েত যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। কেরালার দুর্ঘটনাগ্রস্ত মানুষদের সাহায্য করার জন্য তিনি কুয়েত যেতে চেয়েছিলেন। বীনা জর্জের অভিযোগ, কুয়েতের দূতাবাসও সব খবর দিচ্ছে না। তারা কুয়েত থেকে যে তথ্য পেয়েছেন, তা হলো, সাতজন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার মধ্যে চারজন কেরালার মানুষ। কিন্তু এটা সরকারিভাবে জানানো হয়নি।