Dhaka ০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যহাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গর্ভনিরোধক টিকা ব্যবহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৯ Time View

বিদেশ : থাইল্যান্ড প্রথমবারের মতো বন্যহাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গর্ভনিরোধক টিকা ব্যবহার শুরু করেছে। গতকাল বুধবার দেশটির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দপ্তরের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। দপ্তরের পরিচালক সুখি বুনসাং বলেন, গত সোমবার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রাত প্রদেশে তিনটি মাদি হাতিকে এই টিকা দেওয়া হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য হলো বন্যহাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা। তিনি জানান, দেশের পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি প্রদেশে হাতির জন্মহার বছরে প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেখানে অন্য অঞ্চলে মাত্র ৩ শতাংশ। এই হার নিয়ন্ত্রণে না থাকলে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত বাড়তে পারে। পশুচিকিৎসকরা এই সপ্তাহে কোনো চেতনানাশক ছাড়াই ‘ডার্ট গান’-এর মাধ্যমে দূর থেকে টিকা প্রয়োগ করেছেন। থাইল্যান্ডে ২০১৫ সালে বন্য হাতির সংখ্যা ছিল ৩৩৪টি, যা এখন প্রায় ৮০০। এ ছাড়া বন্দি বা পোষা অবস্থায় আরো কয়েক হাজার হাতি রয়েছে। ২০১২ সাল থেকে মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্বে দেশটিতে প্রায় ২০০ মানুষ ও শতাধিক হাতি মারা গেছে। টিকা নেওয়া তিনটি হাতি বর্তমানে সুস্থ এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। প্রতি ছয় মাস অন্তর তাদের রক্ত পরীক্ষা করা হবে। দুই বছর আগে চিয়াং মাই প্রদেশে বন্দি সাতটি হাতির ওপর এই টিকার সফল পরীক্ষা করা হয়েছিল। আগামী মে মাসে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আরো ১৫টি হাতিকে এই জন্মনিয়ন্ত্রণ টিকার আওতায় আনা হবে। সূত্র : স্ট্রেইট টাইমস।

 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

বন্যহাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গর্ভনিরোধক টিকা ব্যবহার

Update Time : ১১:৩৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বিদেশ : থাইল্যান্ড প্রথমবারের মতো বন্যহাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গর্ভনিরোধক টিকা ব্যবহার শুরু করেছে। গতকাল বুধবার দেশটির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দপ্তরের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। দপ্তরের পরিচালক সুখি বুনসাং বলেন, গত সোমবার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রাত প্রদেশে তিনটি মাদি হাতিকে এই টিকা দেওয়া হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য হলো বন্যহাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা। তিনি জানান, দেশের পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি প্রদেশে হাতির জন্মহার বছরে প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেখানে অন্য অঞ্চলে মাত্র ৩ শতাংশ। এই হার নিয়ন্ত্রণে না থাকলে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত বাড়তে পারে। পশুচিকিৎসকরা এই সপ্তাহে কোনো চেতনানাশক ছাড়াই ‘ডার্ট গান’-এর মাধ্যমে দূর থেকে টিকা প্রয়োগ করেছেন। থাইল্যান্ডে ২০১৫ সালে বন্য হাতির সংখ্যা ছিল ৩৩৪টি, যা এখন প্রায় ৮০০। এ ছাড়া বন্দি বা পোষা অবস্থায় আরো কয়েক হাজার হাতি রয়েছে। ২০১২ সাল থেকে মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্বে দেশটিতে প্রায় ২০০ মানুষ ও শতাধিক হাতি মারা গেছে। টিকা নেওয়া তিনটি হাতি বর্তমানে সুস্থ এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। প্রতি ছয় মাস অন্তর তাদের রক্ত পরীক্ষা করা হবে। দুই বছর আগে চিয়াং মাই প্রদেশে বন্দি সাতটি হাতির ওপর এই টিকার সফল পরীক্ষা করা হয়েছিল। আগামী মে মাসে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আরো ১৫টি হাতিকে এই জন্মনিয়ন্ত্রণ টিকার আওতায় আনা হবে। সূত্র : স্ট্রেইট টাইমস।