Dhaka ০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনি শিশুদের পাশে দাঁড়ালেন গার্দিওলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৫ Time View

ফিলিস্তিনি শিশুদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন পেপ গার্দিওলা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ম্যানচেস্টার সিটি কোচ গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বার্সেলোনায় একটি দাতব্য কনসার্টে বক্তব্য দেওয়ার কারণে গত শুক্রবার তার প্রাক-সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না। একটি কেফিয়াহ (ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যবাহী স্কার্ফ) পরে বক্তব্য রাখেন গার্দিওলা। শিশুদের কষ্ট দেখে নিজের বেদনার কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ৫৫ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, ‘শুভ সন্ধ্যা, আসসালামু আলাইকুম, চমৎকার।’ তিনি বলে গেলেন, ‘গত দুই বছরে যখনই আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা টেলিভিশনে কোনো শিশুকে দেখি, সেখানে ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে তারা আর্তনাদ করছে, ‘আমার মা কোথায়?’ অথচ সে এখনো জানে না কী ঘটেছে।’”তার কথা, “আমি সব সময় ভাবি: ‘তারা আসলে কী চিন্তা করছে?’ আমার মনে হয় আমরা তাদের একা ফেলে এসেছি, পরিত্যাগ করেছি। আমি সব সময় কল্পনা করি তারা বলছে: ‘তোমরা কোথায়? এসো আমাদের সাহায্য করো।’”বিশ্বের ক্ষমতাধরদের নীরবতা নিয়ে হতবাক কোচ, ‘এবং এখনো আমরা তা করিনি। সম্ভবত যারা ক্ষমতায় আছেন তারা কাপুরুষ, কারণ মূলত তারাই নিষ্পাপ তরুণদের পাঠাচ্ছেন অন্য নিষ্পাপ মানুষকে হত্যা করতে।’ তিনি ফিলিস্তিন ও মানবতার জন্য এক বিবৃতি দিয়ে একটি ‘সাহসী পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানান। অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়া সত্ত্বেও গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, পরবর্তী মাসগুলোতে আরও ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এখন স্বীকার করছে গাজা যুদ্ধের সময় প্রায় ৭০,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

ফিলিস্তিনি শিশুদের পাশে দাঁড়ালেন গার্দিওলা

Update Time : ১১:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিলিস্তিনি শিশুদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন পেপ গার্দিওলা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ম্যানচেস্টার সিটি কোচ গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বার্সেলোনায় একটি দাতব্য কনসার্টে বক্তব্য দেওয়ার কারণে গত শুক্রবার তার প্রাক-সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না। একটি কেফিয়াহ (ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যবাহী স্কার্ফ) পরে বক্তব্য রাখেন গার্দিওলা। শিশুদের কষ্ট দেখে নিজের বেদনার কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ৫৫ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, ‘শুভ সন্ধ্যা, আসসালামু আলাইকুম, চমৎকার।’ তিনি বলে গেলেন, ‘গত দুই বছরে যখনই আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা টেলিভিশনে কোনো শিশুকে দেখি, সেখানে ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে তারা আর্তনাদ করছে, ‘আমার মা কোথায়?’ অথচ সে এখনো জানে না কী ঘটেছে।’”তার কথা, “আমি সব সময় ভাবি: ‘তারা আসলে কী চিন্তা করছে?’ আমার মনে হয় আমরা তাদের একা ফেলে এসেছি, পরিত্যাগ করেছি। আমি সব সময় কল্পনা করি তারা বলছে: ‘তোমরা কোথায়? এসো আমাদের সাহায্য করো।’”বিশ্বের ক্ষমতাধরদের নীরবতা নিয়ে হতবাক কোচ, ‘এবং এখনো আমরা তা করিনি। সম্ভবত যারা ক্ষমতায় আছেন তারা কাপুরুষ, কারণ মূলত তারাই নিষ্পাপ তরুণদের পাঠাচ্ছেন অন্য নিষ্পাপ মানুষকে হত্যা করতে।’ তিনি ফিলিস্তিন ও মানবতার জন্য এক বিবৃতি দিয়ে একটি ‘সাহসী পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানান। অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়া সত্ত্বেও গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, পরবর্তী মাসগুলোতে আরও ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এখন স্বীকার করছে গাজা যুদ্ধের সময় প্রায় ৭০,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।