Dhaka ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্ন, ক্ষুব্ধ ব্যবহারকারীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪
  • ২৩০ Time View

বিদেশ : পাকিস্তানজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নর মুখে পড়েছে। জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে, কোথাও খোলা থাকলেও গতি বেশ কম। তবে বিষয়টি নিয়ে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহকারীরা কিছুই বলতে পারছে না বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে এনিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে গত ফেব্রæয়ারির নির্বাচনের আগে-পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) বন্ধ করে দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার ব্যবহারকারীরা অনেক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারেননি। এসব ওয়েবসাইটে ঢুকতে ভিপিএন ব্যবহার করতে হয়। দেশটিতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে বার্তা পাঠাতে কিংবা আধেয় আপলোড ও ডাউনলোড করতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। অনেক সময় সেটাও করা যাচ্ছে না। এ ছাড়া নেটিজেনদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিঘœ ঘটানোর মাধ্যমে সরকার শুধু যোগাযোগে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে না, বরং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করছে। সেই সঙ্গে বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি লঙ্ঘিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

পাকিস্তানজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্ন, ক্ষুব্ধ ব্যবহারকারীরা

Update Time : ১২:০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪

বিদেশ : পাকিস্তানজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নর মুখে পড়েছে। জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে, কোথাও খোলা থাকলেও গতি বেশ কম। তবে বিষয়টি নিয়ে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহকারীরা কিছুই বলতে পারছে না বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে এনিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে গত ফেব্রæয়ারির নির্বাচনের আগে-পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) বন্ধ করে দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার ব্যবহারকারীরা অনেক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারেননি। এসব ওয়েবসাইটে ঢুকতে ভিপিএন ব্যবহার করতে হয়। দেশটিতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে বার্তা পাঠাতে কিংবা আধেয় আপলোড ও ডাউনলোড করতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। অনেক সময় সেটাও করা যাচ্ছে না। এ ছাড়া নেটিজেনদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিঘœ ঘটানোর মাধ্যমে সরকার শুধু যোগাযোগে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে না, বরং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করছে। সেই সঙ্গে বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি লঙ্ঘিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।