Dhaka ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ফের ড্রোন অনুপ্রবেশের অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৭ Time View

বিদেশ : উত্তর কোরিয়া গতকাল শনিবার অভিযোগ করেছে যে দক্ষিণ কোরিয়া চলতি মাসে গুপ্তচরবৃত্তির উদ্দেশ্যে আবারও তাদের আকাশ সীমায় ড্রোন পাঠিয়েছে। তবে সিউল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ)-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, জানুয়ারির শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গাংহোয়া কাউন্টি এলাকা থেকে একটি ড্রোন উত্তরমুখী হয়ে প্রবেশ করতে দেখা যায়। পরে সেটিকে উত্তর কোরিয়ার কায়েসং শহরের কাছে ভূপাতিত করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। ওই সামরিক মুখপাত্রের দাবি, ড্রোনটিতে নজরদারি সরঞ্জাম স্থাপন করা ছিল এবং ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে এতে উত্তর কোরিয়ার ‘গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু’, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত ছিল। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ড্রোন উড্ডয়নের রেকর্ড পায়নি। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ-ব্যাক বলেন, পিয়ংইয়ং যে ড্রোনের কথা বলছে, সেটি ‘আমাদের সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত কোনো মডেল নয়’। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সিউলের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত গাংহোয়া কাউন্টি উত্তর কোরিয়ার নিকটতম দক্ষিণ কোরীয় অঞ্চলগুলোর একটি। পিয়ংইয়ং দাবি করেছে, ড্রোনের ফুটেজই প্রমাণ করে যে বিমানটি ‘নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার উদ্দেশ্যে আমাদের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল’। সামরিক মুখপাত্র আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা গত সেপ্টেম্বরে সীমান্ত শহর পাজুর কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রোন ওড়ানোর অভিযোগের সঙ্গে মিল রয়েছে। উত্তর কোরিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, এ ধরনের অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ কোরিয়াকে এই ‘অমার্জনীয় উন্মত্ততার’ জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে। গত ২০২৪ সালের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার ওপর কথিত ড্রোন উড্ডয়নের ঘটনাগুলোর তদন্ত ইতোমধ্যে শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। সে সময়ের প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অভিযুক্ত করা হয়েছে যে তিনি এ সব ঘটনার অজুহাতে স্বল্প স্থায়ীভাবে সামরিক আইন জারির চেষ্টা করেছিলেন। ওই মামলায় দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এখনো ড্রোন উড্ডয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ফের ড্রোন অনুপ্রবেশের অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার

Update Time : ১২:১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

বিদেশ : উত্তর কোরিয়া গতকাল শনিবার অভিযোগ করেছে যে দক্ষিণ কোরিয়া চলতি মাসে গুপ্তচরবৃত্তির উদ্দেশ্যে আবারও তাদের আকাশ সীমায় ড্রোন পাঠিয়েছে। তবে সিউল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ)-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, জানুয়ারির শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গাংহোয়া কাউন্টি এলাকা থেকে একটি ড্রোন উত্তরমুখী হয়ে প্রবেশ করতে দেখা যায়। পরে সেটিকে উত্তর কোরিয়ার কায়েসং শহরের কাছে ভূপাতিত করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। ওই সামরিক মুখপাত্রের দাবি, ড্রোনটিতে নজরদারি সরঞ্জাম স্থাপন করা ছিল এবং ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে এতে উত্তর কোরিয়ার ‘গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু’, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত ছিল। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ড্রোন উড্ডয়নের রেকর্ড পায়নি। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ-ব্যাক বলেন, পিয়ংইয়ং যে ড্রোনের কথা বলছে, সেটি ‘আমাদের সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত কোনো মডেল নয়’। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সিউলের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত গাংহোয়া কাউন্টি উত্তর কোরিয়ার নিকটতম দক্ষিণ কোরীয় অঞ্চলগুলোর একটি। পিয়ংইয়ং দাবি করেছে, ড্রোনের ফুটেজই প্রমাণ করে যে বিমানটি ‘নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার উদ্দেশ্যে আমাদের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল’। সামরিক মুখপাত্র আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা গত সেপ্টেম্বরে সীমান্ত শহর পাজুর কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রোন ওড়ানোর অভিযোগের সঙ্গে মিল রয়েছে। উত্তর কোরিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, এ ধরনের অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ কোরিয়াকে এই ‘অমার্জনীয় উন্মত্ততার’ জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে। গত ২০২৪ সালের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার ওপর কথিত ড্রোন উড্ডয়নের ঘটনাগুলোর তদন্ত ইতোমধ্যে শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। সে সময়ের প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অভিযুক্ত করা হয়েছে যে তিনি এ সব ঘটনার অজুহাতে স্বল্প স্থায়ীভাবে সামরিক আইন জারির চেষ্টা করেছিলেন। ওই মামলায় দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এখনো ড্রোন উড্ডয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।