Dhaka ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চ্যাম্পিয়নস লিগে জিতে কত টাকা পেল পিএসজি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৫ Time View

ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত মৌসুমে সর্বোচ্চ পুরস্কার অর্থ পেয়েছে ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা আয় করেছে ১৪৪.৪ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১৬৮ মিলিয়ন ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় প্রায় ২০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা। নতুন ও সম্প্রসারিত ফরম্যাটে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত ৪০০ মিলিয়ন ইউরো বিতরণ করেছে উয়েফা। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত উয়েফার ২০২৪-২৫ মৌসুমের আর্থিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আগামী মাসে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উয়েফার বার্ষিক কংগ্রেসের আগেই এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। রানার্সআপ ইন্টার মিলান পুরস্কার অর্থের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তারা পেয়েছে ১৩৬.৬ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা)। নতুন ফরম্যাটে ৩৬টি দল অংশ নেয়, যেখানে প্রতিটি দল লিগ পর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলে। মোট ২.৪৭ বিলিয়ন ইউরো পুরস্কার অর্থ এই দলগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। এবার সাতটি ক্লাব অন্তত ১০০ মিলিয়ন ইউরো করে আয় করেছে, যেখানে আগের মৌসুমে (৩২ দল ও গ্রুপ পর্বের ফরম্যাটে) এই সংখ্যা ছিল পাঁচটি। তখন মোট পুরস্কার তহবিল ছিল ২.০৮ বিলিয়ন ইউরো। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে অ্যাস্টন ভিলা একমাত্র ক্লাব যারা ১০০ মিলিয়ন ইউরোর কম পেয়েছে। তাদের প্রাপ্তি ছিল ৮৩.৭ মিলিয়ন ইউরো। দীর্ঘ ৪১ বছর পর ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় ফেরা এবং তুলনামূলক কম উয়েফা র‌্যাঙ্কিং এর অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের কাছে হেরে যাওয়ায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে পেয়েছে ১০২ মিলিয়ন ইউরোরও কম, যা ২০২৪ সালে শিরোপা জয়ের সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৭ মিলিয়ন ইউরো কম। তবে উয়েফা সুপার কাপ জিতে তারা অতিরিক্ত ৫ মিলিয়ন ইউরো আয় করে। সেই ম্যাচে পরাজিত আতালান্তা পেয়েছে ৪ মিলিয়ন ইউরো। ইন্টার মিলান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে যে পরিমাণ অর্থ পেয়েছে, তা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য চারটি ইতালিয়ান ক্লাবের প্রত্যেকটির আয়ের অন্তত দ্বিগুণ। ইংল্যান্ডের চারটি ক্লাবের মধ্যে সর্বনিম্ন আয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০২২-২৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলটি ফেব্রুয়ারিতে নকআউট প্লে-অফে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর পেয়েছে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো। সবচেয়ে কম অর্থ পেয়েছে স্লোভাকিয়ার চ্যাম্পিয়ন স্লোভান ব্রাতিস্লাভা। তারা আটটি লিগ ম্যাচের সবগুলোতেই হেরে ২২ মিলিয়ন ইউরোরও কম আয় করেছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও দ্বিতীয় স্তরের ইউরোপা লিগের আর্থিক ব্যবধানও স্পষ্ট হয়েছে। ইউরোপা লিগের চ্যাম্পিয়ন টটেনহ্যাম পেয়েছে মাত্র ৪১ মিলিয়ন ইউরো। রানার্সআপ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পেয়েছে ৩৬ মিলিয়ন ইউরো, তবে চলতি মৌসুমে কোনো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় যোগ্যতা অর্জন না করায় তারা এবার উয়েফা থেকে কোনো অর্থই পাবে না। তৃতীয় স্তরের কনফারেন্স লিগ জিতে চেলসি পেয়েছে ২১.৮ মিলিয়ন ইউরো। বর্তমানে তারা আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

চ্যাম্পিয়নস লিগে জিতে কত টাকা পেল পিএসজি

Update Time : ০৮:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত মৌসুমে সর্বোচ্চ পুরস্কার অর্থ পেয়েছে ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা আয় করেছে ১৪৪.৪ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১৬৮ মিলিয়ন ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় প্রায় ২০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা। নতুন ও সম্প্রসারিত ফরম্যাটে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত ৪০০ মিলিয়ন ইউরো বিতরণ করেছে উয়েফা। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত উয়েফার ২০২৪-২৫ মৌসুমের আর্থিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আগামী মাসে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উয়েফার বার্ষিক কংগ্রেসের আগেই এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। রানার্সআপ ইন্টার মিলান পুরস্কার অর্থের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তারা পেয়েছে ১৩৬.৬ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা)। নতুন ফরম্যাটে ৩৬টি দল অংশ নেয়, যেখানে প্রতিটি দল লিগ পর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলে। মোট ২.৪৭ বিলিয়ন ইউরো পুরস্কার অর্থ এই দলগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। এবার সাতটি ক্লাব অন্তত ১০০ মিলিয়ন ইউরো করে আয় করেছে, যেখানে আগের মৌসুমে (৩২ দল ও গ্রুপ পর্বের ফরম্যাটে) এই সংখ্যা ছিল পাঁচটি। তখন মোট পুরস্কার তহবিল ছিল ২.০৮ বিলিয়ন ইউরো। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে অ্যাস্টন ভিলা একমাত্র ক্লাব যারা ১০০ মিলিয়ন ইউরোর কম পেয়েছে। তাদের প্রাপ্তি ছিল ৮৩.৭ মিলিয়ন ইউরো। দীর্ঘ ৪১ বছর পর ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় ফেরা এবং তুলনামূলক কম উয়েফা র‌্যাঙ্কিং এর অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের কাছে হেরে যাওয়ায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে পেয়েছে ১০২ মিলিয়ন ইউরোরও কম, যা ২০২৪ সালে শিরোপা জয়ের সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৭ মিলিয়ন ইউরো কম। তবে উয়েফা সুপার কাপ জিতে তারা অতিরিক্ত ৫ মিলিয়ন ইউরো আয় করে। সেই ম্যাচে পরাজিত আতালান্তা পেয়েছে ৪ মিলিয়ন ইউরো। ইন্টার মিলান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে যে পরিমাণ অর্থ পেয়েছে, তা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য চারটি ইতালিয়ান ক্লাবের প্রত্যেকটির আয়ের অন্তত দ্বিগুণ। ইংল্যান্ডের চারটি ক্লাবের মধ্যে সর্বনিম্ন আয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০২২-২৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলটি ফেব্রুয়ারিতে নকআউট প্লে-অফে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর পেয়েছে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো। সবচেয়ে কম অর্থ পেয়েছে স্লোভাকিয়ার চ্যাম্পিয়ন স্লোভান ব্রাতিস্লাভা। তারা আটটি লিগ ম্যাচের সবগুলোতেই হেরে ২২ মিলিয়ন ইউরোরও কম আয় করেছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও দ্বিতীয় স্তরের ইউরোপা লিগের আর্থিক ব্যবধানও স্পষ্ট হয়েছে। ইউরোপা লিগের চ্যাম্পিয়ন টটেনহ্যাম পেয়েছে মাত্র ৪১ মিলিয়ন ইউরো। রানার্সআপ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পেয়েছে ৩৬ মিলিয়ন ইউরো, তবে চলতি মৌসুমে কোনো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় যোগ্যতা অর্জন না করায় তারা এবার উয়েফা থেকে কোনো অর্থই পাবে না। তৃতীয় স্তরের কনফারেন্স লিগ জিতে চেলসি পেয়েছে ২১.৮ মিলিয়ন ইউরো। বর্তমানে তারা আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেছে।