Dhaka ১০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় যুদ্ধবিরতির পর থেকে ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫২ Time View

বিদেশ : হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। রাশিয়ায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত আবদেল হাফিজ নোফাল বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। গতকাল শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করে হয়, রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও অনুমান করা হচ্ছে যে, ৪০০ জনেরও বেশি নিহত এবং এর চেয়ে দ্বিগুণ সংখ্যক লোক আহত হয়েছে।’ তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘এর কারণ হলো ইসরায়েল ক্রমাগত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে এবং কেবলমাত্র ন্যূনতম পরিমাণে মানবিক সাহায্য প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে।’ দীর্ঘদিনের গণহত্যার যুদ্ধের অবসানে গত ১১ অক্টোবর থেকে গাজায় মার্কিন মধ্যস্ততায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধ অঞ্চলজুড়ে নিহতের সবশেষ সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। চলতি বছরের শুরুতেও একটি যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরায়েল গত ২৭ মে থেকে গাজায় পৃথক সাহায্য বিতরণ উদ্যোগ শুরু করেছিল। এই পদক্ষেপের পর অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষ প্রকট হয়ে ওঠে। ইসরায়েলি বাহিনী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপরও গুলি চালিয়ে যায়। এর ফলে শত শত মানুষ নিহত হয়। সেই সঙ্গে দুর্ভিক্ষে শিশুসহ বহু মানুষের মৃত্যু হয়। গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহু ও তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উপত্যকাজুড়ে যুদ্ধের জন্য ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখি।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

অবৈধ ডিগ্রি, দুদকের অভিযান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য  করে চিকিৎসা,তবুও বহাল তবিয়্যতে চেম্বার

গাজায় যুদ্ধবিরতির পর থেকে ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা

Update Time : ১০:১৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিদেশ : হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। রাশিয়ায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত আবদেল হাফিজ নোফাল বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। গতকাল শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করে হয়, রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও অনুমান করা হচ্ছে যে, ৪০০ জনেরও বেশি নিহত এবং এর চেয়ে দ্বিগুণ সংখ্যক লোক আহত হয়েছে।’ তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘এর কারণ হলো ইসরায়েল ক্রমাগত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে এবং কেবলমাত্র ন্যূনতম পরিমাণে মানবিক সাহায্য প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে।’ দীর্ঘদিনের গণহত্যার যুদ্ধের অবসানে গত ১১ অক্টোবর থেকে গাজায় মার্কিন মধ্যস্ততায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধ অঞ্চলজুড়ে নিহতের সবশেষ সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। চলতি বছরের শুরুতেও একটি যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরায়েল গত ২৭ মে থেকে গাজায় পৃথক সাহায্য বিতরণ উদ্যোগ শুরু করেছিল। এই পদক্ষেপের পর অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষ প্রকট হয়ে ওঠে। ইসরায়েলি বাহিনী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপরও গুলি চালিয়ে যায়। এর ফলে শত শত মানুষ নিহত হয়। সেই সঙ্গে দুর্ভিক্ষে শিশুসহ বহু মানুষের মৃত্যু হয়। গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহু ও তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উপত্যকাজুড়ে যুদ্ধের জন্য ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখি।