Dhaka ১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করাচির গুল প্লাজায় উদ্ধার অভিযান চলছে, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৭ Time View

বিদেশ : করাচির এম এ জিন্না রোডের ঐতিহাসিক গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ষষ্ঠ দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এই ট্র্যাজেডিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারী দলগুলো আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভবনের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। খবর ডনের। গত বুধবার উদ্ধার অভিযানে ভবনের ‘দুবাই ক্রোকারিজ’ নামক একটি ভস্মীভূত দোকান থেকেই অন্তত ৩০ জন মানুষের কঙ্কাল ও দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। করাচি সাউথ জোনের ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রাজা নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধারকৃত দেহগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে সেগুলো শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব। এর আগে গত শনিবার রাতে করাচির অন্যতম ব্যস্ত এই শপিং মলে আগুনের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পর রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে সোমবার ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন করে শিখা দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। ৮ হাজার বর্গগজ এলাকার ওপর নির্মিত এই চারতলা ভবনটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ দোকান ছিল। আগুনের প্রচণ্ড তাপে ভবনের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়ায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সিন্ধ রেসকিউ ১১২২-এর আরবান সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিম গত রাত থেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার করে তল্লাশি চালাচ্ছে। নিখোঁজদের স্বজনরা গত কয়েকদিন ধরে প্লাজার বাইরে ভিড় করে আছেন। অনেক মরদেহ চেনার উপায় না থাকায় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সেগুলো শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। করাচির এই অগ্নিকাণ্ডকে গত এক দশকের মধ্যে শহরের অন্যতম ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

করাচির গুল প্লাজায় উদ্ধার অভিযান চলছে, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১

Update Time : ১০:২৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

বিদেশ : করাচির এম এ জিন্না রোডের ঐতিহাসিক গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ষষ্ঠ দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এই ট্র্যাজেডিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারী দলগুলো আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভবনের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। খবর ডনের। গত বুধবার উদ্ধার অভিযানে ভবনের ‘দুবাই ক্রোকারিজ’ নামক একটি ভস্মীভূত দোকান থেকেই অন্তত ৩০ জন মানুষের কঙ্কাল ও দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। করাচি সাউথ জোনের ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রাজা নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধারকৃত দেহগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে সেগুলো শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব। এর আগে গত শনিবার রাতে করাচির অন্যতম ব্যস্ত এই শপিং মলে আগুনের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পর রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে সোমবার ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন করে শিখা দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। ৮ হাজার বর্গগজ এলাকার ওপর নির্মিত এই চারতলা ভবনটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ দোকান ছিল। আগুনের প্রচণ্ড তাপে ভবনের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়ায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সিন্ধ রেসকিউ ১১২২-এর আরবান সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিম গত রাত থেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার করে তল্লাশি চালাচ্ছে। নিখোঁজদের স্বজনরা গত কয়েকদিন ধরে প্লাজার বাইরে ভিড় করে আছেন। অনেক মরদেহ চেনার উপায় না থাকায় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সেগুলো শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। করাচির এই অগ্নিকাণ্ডকে গত এক দশকের মধ্যে শহরের অন্যতম ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।