Dhaka ০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্গোর কোলটান খনি ধসে দুই শতাধিক নিহত

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬২ Time View

বিদেশ: এই সপ্তাহে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) রুবায়া কোলটান খনি ধসে নিহত হয়েছেন দুই শতাধিকের বেশি মানুষ । গত শুক্রবার সংশ্লিষ্ট প্রদেশের বিদ্রোহী-নিযুক্ত গভর্নরের মুখপাত্র লুমুম্বা কাম্বেরে মুয়িসা এ তথ্য জানিয়েছেন। জানা গেছে, গত বুধবার এই ধসের ঘটনা ঘটে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা না গেলেও প্রাদেশিক প্রশাসনের এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, নিশ্চিত মৃতের সংখ্যা অন্তত ২২৭ জন। নিহতদের মধ্যে খনি শ্রমিক ছাড়াও শিশু ও বাজারে কাজ করা নারীরাও রয়েছেন। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। রুবায়া খনি থেকে বিশ্বের প্রায় ১৫ শতাংশ কোলটান সরবরাহ করা হয়। এই খনিজ থেকে ট্যান্টালাম তৈরি করা হয়, যা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং গ্যাস টারবাইন তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খনিটিতে স্থানীয় মানুষ প্রতিদিন কয়েক ডলারের বিনিময়ে খনন কাজ করেন। ২০২৪ সাল থেকে খনিটি এম-২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাতিসংঘের অভিযোগ, এম-২৩ এই খনির সম্পদ লুট করে তাদের বিদ্রোহী তৎপরতার অর্থ জোগাচ্ছে, যা প্রতিবেশী রুয়ান্ডার সরকারের সমর্থনে পরিচালিত। তবে, রুয়ান্ডা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ভারী অস্ত্রধারী এম-২৩ বিদ্রোহীরা গত বছর আকস্মিক অভিযানে পূর্ব কঙ্গোর আরও বিস্তীর্ণ খনিজসমৃদ্ধ এলাকা দখল করে নেয়। তারা রাজধানী কিনশাসার সরকার উৎখাত এবং কঙ্গোর তুতসি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লড়াই করছে এ বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। সূত্র: আল-জাজিরা

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

কঙ্গোর কোলটান খনি ধসে দুই শতাধিক নিহত

Update Time : ১২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিদেশ: এই সপ্তাহে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) রুবায়া কোলটান খনি ধসে নিহত হয়েছেন দুই শতাধিকের বেশি মানুষ । গত শুক্রবার সংশ্লিষ্ট প্রদেশের বিদ্রোহী-নিযুক্ত গভর্নরের মুখপাত্র লুমুম্বা কাম্বেরে মুয়িসা এ তথ্য জানিয়েছেন। জানা গেছে, গত বুধবার এই ধসের ঘটনা ঘটে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা না গেলেও প্রাদেশিক প্রশাসনের এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, নিশ্চিত মৃতের সংখ্যা অন্তত ২২৭ জন। নিহতদের মধ্যে খনি শ্রমিক ছাড়াও শিশু ও বাজারে কাজ করা নারীরাও রয়েছেন। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। রুবায়া খনি থেকে বিশ্বের প্রায় ১৫ শতাংশ কোলটান সরবরাহ করা হয়। এই খনিজ থেকে ট্যান্টালাম তৈরি করা হয়, যা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং গ্যাস টারবাইন তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খনিটিতে স্থানীয় মানুষ প্রতিদিন কয়েক ডলারের বিনিময়ে খনন কাজ করেন। ২০২৪ সাল থেকে খনিটি এম-২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাতিসংঘের অভিযোগ, এম-২৩ এই খনির সম্পদ লুট করে তাদের বিদ্রোহী তৎপরতার অর্থ জোগাচ্ছে, যা প্রতিবেশী রুয়ান্ডার সরকারের সমর্থনে পরিচালিত। তবে, রুয়ান্ডা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ভারী অস্ত্রধারী এম-২৩ বিদ্রোহীরা গত বছর আকস্মিক অভিযানে পূর্ব কঙ্গোর আরও বিস্তীর্ণ খনিজসমৃদ্ধ এলাকা দখল করে নেয়। তারা রাজধানী কিনশাসার সরকার উৎখাত এবং কঙ্গোর তুতসি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লড়াই করছে এ বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। সূত্র: আল-জাজিরা