স্পোর্টস: মিলানো-কোর্তিনা ২০২৬ শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি দলকে দুয়ো দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় দর্শকরা ইসরায়েলের চার সদস্যের প্রতিনিধিদলকে উচ্চস্বরে প্রতিক্রিয়া জানান। যদিও অনুষ্ঠানটি সামগ্রিকভাবে উৎসবমুখর ছিল, ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদদের জন্য দেওয়া এই সাড়া দ্রুত অন্য সব শব্দে ঢাকা পড়ে যায়। ইসরায়েলি দল জাতীয় পতাকা নাড়িয়ে ও হাসিমুখে কুচকাওয়াজে অংশ নিলেও দর্শকদের দুয়ো তাদের অভিজ্ঞতা ছাপিয়ে যায়। মার্কিন দলের স্বাগত প্রাথমিকভাবে করতালিতে হলেও, স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ছবি দেখানোর পর তা দুয়োধ্বনিতে রূপ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে দেশটিতে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রতিফলন এখানেও দেখা গেছে। এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগে ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদরা সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। দলের স্কি খেলোয়াড় বার্নাবাস সজোলোস বলেন, “আমি প্রস্তুত। তারা যা খুশি করতে পারে। আমি শুধু ভালো একটা রেস করতে চাই, উপভোগ করতে চাই এবং নিজের সেরাটা দিতে চাই।” ইতালিতে একই দিনে ‘আইসিই আউট’ স্লোগানে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। কোর্তিনা ডি’আম্পেজ্জোর পাহাড়ি ক্লাস্টারে অনুষ্ঠিত সমান্তরাল কুচকাওয়াজে মার্কিন দলকে উষ্ণ স্বাগত দেওয়া হয়। তবে প্রেদাজ্জোর স্কি জাম্পিং ভেন্যুতে ইসরায়েলি দলের উদ্দেশ্যে দুয়ো দেওয়া হয়। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদকে দেখা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনে রাজনৈতিক প্রকাশ হিসেবে। গাজায় লাগাতার সংঘর্ষে গত অক্টোবর থেকে প্রায় ৫৬০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশ বেসামরিক নাগরিক। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি হামলায় চারজন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যুর খবর দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ইতিহাসেও রয়েছে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, যেমন ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদদের ওপর হামলা।
Reporter Name 














