Dhaka ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে শঙ্কায় ভারত

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪০ Time View

অ্যাথলেটিঙ্ েসার্বিকভাবে খুব একটা এগিয়ে নেই বাংলাদেশ। অলিম্পিকেও বাংলাদেশের সাফল্য খুব কম, আজ পর্যন্ত নেই কোনো স্বর্ণপদক। তবে সেই বাংলাদেশই ২০৩৬ অলিম্পিকের বড় প্রভাবক হয়ে উঠেছে। এখানেও প্রসঙ্গ সেই ক্রিকেট। ভারতের একরোখা আচরণ ও আইসিসির দ্বিচারিতায় ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারছে না বাংলাদেশ। স্কটল্যান্ডকে বদলি দল হিসেবে আইসিসি ডেকে নিলেও ভারত ভেন্যু হিসেবে কতটা নিরাপদ কিংবা গ্রহণযোগ্য, সেই প্রশ্ন জোরেশোরেই তুলেছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কট। আর এতে ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছে ভারত। এমন খবর জানিয়েছে ইংল্যান্ডের প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। মূলত খেলাধুলায় রাজনীতির প্রভাব টেনে এনেই ভুলটা করেছে ভারত, যার শুরু হয়েছিল মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়ে। এর জেরেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, বা আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে দেয়। যে ঘটনা ক্রীড়া দুনিয়ায় ভারতের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে। সব মিলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিতে। ২০৩৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বিড করতে উঠেপড়ে লেগেছে ভারত। তবে ক্রিকেটে তাদের যে প্রভাব বিস্তার, তা তো আর অলিম্পিকে নেই। এখানেই বেঁধেছে বিপত্তি। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ‘বিসিসিআই আইসিসি পর্যায়ে অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ভারত সরকারের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ, যিনি আগে বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি ছিলেন এবং তার বাবা অমিত শাহ যিনি নরেন্দ্র মোদির সরকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’ এছাড়া আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্ত যে ইতিপূর্বে জিওস্টারের খেলাধুলা সম্প্রচার বিভাগ দেখভাল করতেন তা-ও ফলাও করে প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান। ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী কাতার। ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে সাফল্য দেখিয়ে কাতার অনুমিতভাবেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। এর মধ্যে ক্রিকেটে ভারতের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার কাতারকে আরও এগিয়ে রেখেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের বয়কটের কারণে ভারত ভেন্যু হিসেবে সার্বিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। অলিম্পিক সনদে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে কাজ করতে হবে স্বাধীনভাবে, থাকতে হবে রাজনীতির প্রভাব থেকে মুক্ত, এবং রাজনৈতিক মতামতের আশ্রয় দেওয়া যাবে না। ভারতের সাথে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যে সম্পর্ক, তাতে ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন এখন হয়ত ভারতের জন্য শুধুই মরীচিকা।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

এবার অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে শঙ্কায় ভারত

Update Time : ১১:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অ্যাথলেটিঙ্ েসার্বিকভাবে খুব একটা এগিয়ে নেই বাংলাদেশ। অলিম্পিকেও বাংলাদেশের সাফল্য খুব কম, আজ পর্যন্ত নেই কোনো স্বর্ণপদক। তবে সেই বাংলাদেশই ২০৩৬ অলিম্পিকের বড় প্রভাবক হয়ে উঠেছে। এখানেও প্রসঙ্গ সেই ক্রিকেট। ভারতের একরোখা আচরণ ও আইসিসির দ্বিচারিতায় ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারছে না বাংলাদেশ। স্কটল্যান্ডকে বদলি দল হিসেবে আইসিসি ডেকে নিলেও ভারত ভেন্যু হিসেবে কতটা নিরাপদ কিংবা গ্রহণযোগ্য, সেই প্রশ্ন জোরেশোরেই তুলেছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কট। আর এতে ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছে ভারত। এমন খবর জানিয়েছে ইংল্যান্ডের প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। মূলত খেলাধুলায় রাজনীতির প্রভাব টেনে এনেই ভুলটা করেছে ভারত, যার শুরু হয়েছিল মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়ে। এর জেরেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, বা আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে দেয়। যে ঘটনা ক্রীড়া দুনিয়ায় ভারতের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে। সব মিলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিতে। ২০৩৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বিড করতে উঠেপড়ে লেগেছে ভারত। তবে ক্রিকেটে তাদের যে প্রভাব বিস্তার, তা তো আর অলিম্পিকে নেই। এখানেই বেঁধেছে বিপত্তি। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ‘বিসিসিআই আইসিসি পর্যায়ে অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ভারত সরকারের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ, যিনি আগে বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি ছিলেন এবং তার বাবা অমিত শাহ যিনি নরেন্দ্র মোদির সরকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’ এছাড়া আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্ত যে ইতিপূর্বে জিওস্টারের খেলাধুলা সম্প্রচার বিভাগ দেখভাল করতেন তা-ও ফলাও করে প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান। ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী কাতার। ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে সাফল্য দেখিয়ে কাতার অনুমিতভাবেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। এর মধ্যে ক্রিকেটে ভারতের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার কাতারকে আরও এগিয়ে রেখেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের বয়কটের কারণে ভারত ভেন্যু হিসেবে সার্বিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। অলিম্পিক সনদে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে কাজ করতে হবে স্বাধীনভাবে, থাকতে হবে রাজনীতির প্রভাব থেকে মুক্ত, এবং রাজনৈতিক মতামতের আশ্রয় দেওয়া যাবে না। ভারতের সাথে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যে সম্পর্ক, তাতে ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন এখন হয়ত ভারতের জন্য শুধুই মরীচিকা।