Dhaka ০৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন দ. কোরিয়ার জনপ্রিয় গায়িকা মো সু-জিন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩ Time View

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড অ্যাকুস্টিক কোলাবো’র প্রধান গায়িকা মো সু-জিন মারা গেছেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। গত বুধবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শিল্পীর এজেন্সির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়েছে; মৃত্যুর কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি তার পরিবারে ইচ্ছায়। তারা প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। ২০২০ সালে ‘অ্যাকুস্টিক কোলাবো’তে যোগ দেওয়া মো সু-জিন ব্যান্ডের তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যালবামে কণ্ঠ দিয়েছিলেন। ব্যান্ডের পাশাপাশি একক শিল্পী হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন; ২০২৫ সালের জুনে তার একক গান ‘ইয়োর ইউনিভার্স’ মুক্তি পায়। ব্যান্ডের সহকর্মী কিম সেউং-জে গভীর শোক প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ২০১৯ সাল থেকে সে ছিল আমার সবচেয়ে কাছের সঙ্গী। সে আমাকে সুখের মানে শিখিয়েছে এবং বেঁচে থাকার শক্তি দিয়েছে।

Tag :
About Author Information

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

মারা গেছেন দ. কোরিয়ার জনপ্রিয় গায়িকা মো সু-জিন

Update Time : ০৭:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড অ্যাকুস্টিক কোলাবো’র প্রধান গায়িকা মো সু-জিন মারা গেছেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। গত বুধবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শিল্পীর এজেন্সির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়েছে; মৃত্যুর কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি তার পরিবারে ইচ্ছায়। তারা প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। ২০২০ সালে ‘অ্যাকুস্টিক কোলাবো’তে যোগ দেওয়া মো সু-জিন ব্যান্ডের তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যালবামে কণ্ঠ দিয়েছিলেন। ব্যান্ডের পাশাপাশি একক শিল্পী হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন; ২০২৫ সালের জুনে তার একক গান ‘ইয়োর ইউনিভার্স’ মুক্তি পায়। ব্যান্ডের সহকর্মী কিম সেউং-জে গভীর শোক প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ২০১৯ সাল থেকে সে ছিল আমার সবচেয়ে কাছের সঙ্গী। সে আমাকে সুখের মানে শিখিয়েছে এবং বেঁচে থাকার শক্তি দিয়েছে।