Dhaka ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরকে বিদায় করে অবিশ্বাস্য জয় পেলো সিলেট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৫:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৭ Time View

সিলেট টাইটান্সের শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। ফাহিম আশরাফ প্রথম ৫ বলে দিলেন মাত্র ৩ রান। আউট করলেন মঈন আলীকে। রংপুর রাইডার্সের জয় তখন বলতে গেলে নিশ্চিত। কিন্তু শেষ বলে সব হিসেব উল্টে দিলেন ক্রিস ওকস। শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান। অফসাইডে দারুণ এক ছক্কা হাঁকিয়ে সিলেটকে অবিশ্বাস্য এক জয় এনে দিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। ৩ উইকেটের জয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে নাম লেখালো সিলেট, বিদায় হয়ে গেলো রংপুরের। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এলিমিনেটর ম্যাচটি ছিল লো স্কোরিং। প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১১১ রানে থামে রংপুরের ইনিংস। ১১২ রান তাড়া করতে গিয়ে ৭ উইকেট হারাতে হলো সিলেটকে, খেলতে হলো শেষ বল পর্যন্ত। রান তাড়ায় নেমে শুরুতে তাওফিক খানকে (২) হারালেও পারভেজ ইমনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ভালো সূচনা করে সিলেট। ইমন ১২ বলে করেন ১৮ রান। আরিফুল ইসলামের ব্যাট থেকে আসে ১৮ বলে ১৭। আফিফ হোসেনও সুবিধা করতে পারেননি। ৯ বল খেলে ৩ রান করে আলিস আল ইসলামের বলে বোল্ড হন। এরপর দলের হাল ধরেন স্যাম বিলিংস আর মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫৪ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন তারা। মিরাজ ২৩ বলে ১৮ রান করেন। বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ২৯। লো স্কোরিং ম্যাচে শেষদিকে এসে বড় বিপদে পড়ে গিয়েছিল সিলেট। মঈন আলী আউট হয়ে যান ৫ করে। তবে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে নায়ক বনে যাওয়া ওকস ৪ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। রংপুরের মোস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট। এর আগে সিলেট টাইটান্স বোলারদের সামনে ধসে পড়ে রংপুর রাইডার্সের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেট হারিয়ে রংপুর সংগ্রহ করে মাত্র ১১১ রান। গতকাল মঙ্গলবার সিলেট টাইটান্সেরর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তার দলের বোলাররা তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেছে। রাইডার্সের মাত্র ৩ ব্যাটার স্পর্শ করতে পেরেছে দুই অঙ্কের রান। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ভালো শুরু করে ১৮ বলে ৩০ রান করার পর ১৯তম বলে আউট হন খুশদিল শাহ। ১৮ রান করেছেন নুরুল হাসান সোহান। নোয়াখালীর বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা তাওহিদ হৃদয় করেছেন মাত্র ১ রান। সমান ৪ করে এসেছে ডেভিড মালান ও লিটন দাসের ব্যাট থেকে। ৮ রান করেবন কাইল মায়ার্স। সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন খালেদ আহমেদ। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন ক্রিস ওকস ও নাসুম আহমেদ। একটি উইকেট গেছে সালমান ইরশাদের ঝুলিতে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

রংপুরকে বিদায় করে অবিশ্বাস্য জয় পেলো সিলেট

Update Time : ০৯:৫৫:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট টাইটান্সের শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। ফাহিম আশরাফ প্রথম ৫ বলে দিলেন মাত্র ৩ রান। আউট করলেন মঈন আলীকে। রংপুর রাইডার্সের জয় তখন বলতে গেলে নিশ্চিত। কিন্তু শেষ বলে সব হিসেব উল্টে দিলেন ক্রিস ওকস। শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান। অফসাইডে দারুণ এক ছক্কা হাঁকিয়ে সিলেটকে অবিশ্বাস্য এক জয় এনে দিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। ৩ উইকেটের জয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে নাম লেখালো সিলেট, বিদায় হয়ে গেলো রংপুরের। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এলিমিনেটর ম্যাচটি ছিল লো স্কোরিং। প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১১১ রানে থামে রংপুরের ইনিংস। ১১২ রান তাড়া করতে গিয়ে ৭ উইকেট হারাতে হলো সিলেটকে, খেলতে হলো শেষ বল পর্যন্ত। রান তাড়ায় নেমে শুরুতে তাওফিক খানকে (২) হারালেও পারভেজ ইমনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ভালো সূচনা করে সিলেট। ইমন ১২ বলে করেন ১৮ রান। আরিফুল ইসলামের ব্যাট থেকে আসে ১৮ বলে ১৭। আফিফ হোসেনও সুবিধা করতে পারেননি। ৯ বল খেলে ৩ রান করে আলিস আল ইসলামের বলে বোল্ড হন। এরপর দলের হাল ধরেন স্যাম বিলিংস আর মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫৪ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন তারা। মিরাজ ২৩ বলে ১৮ রান করেন। বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ২৯। লো স্কোরিং ম্যাচে শেষদিকে এসে বড় বিপদে পড়ে গিয়েছিল সিলেট। মঈন আলী আউট হয়ে যান ৫ করে। তবে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে নায়ক বনে যাওয়া ওকস ৪ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। রংপুরের মোস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট। এর আগে সিলেট টাইটান্স বোলারদের সামনে ধসে পড়ে রংপুর রাইডার্সের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেট হারিয়ে রংপুর সংগ্রহ করে মাত্র ১১১ রান। গতকাল মঙ্গলবার সিলেট টাইটান্সেরর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তার দলের বোলাররা তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেছে। রাইডার্সের মাত্র ৩ ব্যাটার স্পর্শ করতে পেরেছে দুই অঙ্কের রান। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ভালো শুরু করে ১৮ বলে ৩০ রান করার পর ১৯তম বলে আউট হন খুশদিল শাহ। ১৮ রান করেছেন নুরুল হাসান সোহান। নোয়াখালীর বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা তাওহিদ হৃদয় করেছেন মাত্র ১ রান। সমান ৪ করে এসেছে ডেভিড মালান ও লিটন দাসের ব্যাট থেকে। ৮ রান করেবন কাইল মায়ার্স। সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন খালেদ আহমেদ। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন ক্রিস ওকস ও নাসুম আহমেদ। একটি উইকেট গেছে সালমান ইরশাদের ঝুলিতে।