Dhaka ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না’: গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর স্পষ্ট বার্তা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫০ Time View

বিদেশ : ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না’- এভাবেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড রাজনৈতিক দলগুলো। খবর এএফপি’র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপটিকে আবারও দখলে নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার পর সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলো এ প্রতিক্রিয়া জানায়। গত শুক্রবার রাতে গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বকারী পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশও হতে চাই না, আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই।’তারা আরও বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র গ্রিনল্যান্ডবাসীরই।’ গ্রিনল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে ডেনমার্কের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হলেও সামপ্রতিক বছরগুলোতে এর বিপুল খনিজসম্পদ ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক আগ্রহ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ায় দ্বীপটির রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বহিরাগত কোনো শক্তির চাপ বা হস্তক্ষেপ গ্রিনল্যান্ডবাসী মেনে নেবে না এবং তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকে তারা নিজেরাই ধরে রাখতে চায়।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না’: গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর স্পষ্ট বার্তা

Update Time : ১২:০৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

বিদেশ : ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না’- এভাবেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড রাজনৈতিক দলগুলো। খবর এএফপি’র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপটিকে আবারও দখলে নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার পর সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলো এ প্রতিক্রিয়া জানায়। গত শুক্রবার রাতে গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বকারী পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশও হতে চাই না, আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই।’তারা আরও বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র গ্রিনল্যান্ডবাসীরই।’ গ্রিনল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে ডেনমার্কের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হলেও সামপ্রতিক বছরগুলোতে এর বিপুল খনিজসম্পদ ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক আগ্রহ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ায় দ্বীপটির রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বহিরাগত কোনো শক্তির চাপ বা হস্তক্ষেপ গ্রিনল্যান্ডবাসী মেনে নেবে না এবং তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকে তারা নিজেরাই ধরে রাখতে চায়।