যাদের মাঠে নামা বা একাদশ সাজানো নিয়েই খেতে হয়েছে হিমশিম, এবার সেই চট্টগ্রাম রয়্যালস হারের স্বাদ দিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে। বিপিএলের ১৯তম ম্যাচে লড়াইটা অবশ্য হয়েছে জমজমাট। লো স্কোরিং ম্যাচ দিয়েছে মিরপুরের স্বাদ, শেষপর্যন্ত শেষ হাসিটা চট্টগ্রামই হেসেছে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। রাজশাহী ব্যাট হাতে শুরু পেয়েছিল ভালো। তবে চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে হারিয়েই বিপর্যয়ের শুরু। নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিমরা সুবিধা করতে পারেননি। দলের পক্ষে কেউই বিশের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৯ রান আসে মোহাম্মদ ওয়াসিম ও এসএম মেহরবের ব্যাট থেকে। মুশফিকুর রহিম, রায়ান বার্লরা দুই অঙ্কে গেলেও থিতু হতে পারেননি। প্রথমবার একাদশে সুযোগ পাওয়া আকবর আলী ১৬ বলে করেন ১৭ রান। শেষদিকে তানজিম হাসান সাকিব ১৪ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান দাঁড়ায় রাজশাহীর সংগ্রহ। চট্টগ্রামের পক্ষে মাত্র ২৩ রান খরচ করে আমের জামাল তিনটি উইকেট শিকার করেন। আঁটসাঁট বোলিংয়ের পাশাপাশি দুটি করে উইকেট পান শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম। জবাব দিতে নেমে চট্টগ্রাম শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে। অ্যাডাম রসিংটন দুই অঙ্কে গেলেও নাঈম শেখ, মাহমুদুল হাসান জয় ফেরেন এক অঙ্কে। সাদমান ইসলাম তো হয়েছেন গোল্ডেন ডাকের শিকার। শেখ মেহেদী ২৫ বলে ২৮ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে বিদায় নিলে দায়িত্ব বর্তায় হাসান নওয়াজ ও আসিফ আলী এই দুই পাকিস্তানির কাঁধে। এই দুজনের ব্যাটে চাপের মুখে ম্যাচে টিকে থাকে চট্টগ্রাম, শেষপর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান আরও দৃঢ় করল ৭ ম্যাচ খেলে পাঁচটিতেই জেতা বন্দরনগরীর দলটি। আসিফ ২৫ বলে ২৭ রান করে বিদায় নিলে নওয়াজ দলের হাল ধরেন। ৩৬ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থেকে শেষ বলে তিনি নিশ্চিত করেন দলের জয়।