সর্বশেষ :
ফকিরহাটে রেলওয়ের জমি দখল করে ২৫ বছর চাঁদাবাজি, বৈধ লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের হুমকি বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও রেলি  বাগেরহাটে ডোবা থেকে নিখোঁজের ৫ দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নবনির্বাচিত মোজতবা খামেনির নির্দেশে ইসরায়েলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান সৌদি থেকে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলারের ইরান যুদ্ধ এখন ট্রাম্পের গলার কাঁটা: দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিবো, বললেন ট্রাম্প জামায়াত নেতা তাহেরের আসনের ব্যালট পেপার হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ নৌ-পুলিশের প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর যুদ্ধের আঘাতে এখন পযর্ন্ত ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশ

প্রতিনিধি: / ৪৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন আর্থিক শর্ত যুক্ত হলো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের হালনাগাদ ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় এখন থেকে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত দিতে হতে পারে। এই নীতি কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি থেকে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যের বরাতে রয়টার্স জানায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। ফলে ভিসা বন্ডের আওতায় থাকা দেশের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮টিতে। এসব দেশের বেশিরভাগই আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ার।

পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি বি১ বা বি২ ক্যাটাগরির ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার জন্য যোগ্য হন, তবে কনস্যুলার অফিসার চাইলে তাদের ওপর ভিসা বন্ডের শর্ত আরোপ করতে পারবেন। জামানতের অঙ্ক ধাপে ধাপে ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হবে। ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর প্রোফাইল ও ভ্রমণের উদ্দেশ্য বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রয়টার্স বলছে, ভিসা বন্ডের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম Pay.gov এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসারের লিখিত নির্দেশনা ছাড়া আবেদনকারীদের কোনো অর্থ পরিশোধ না করার কথাও জানানো হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ব্যবস্থা একটি পাইলট কর্মসূচির অংশ, যা গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থান বা ওভারস্টে কমানো। যেসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ওভারস্টের হার তুলনামূলক বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই জামানত স্থায়ীভাবে কেটে নেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পেয়েও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ না করলে অথবা বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা পেলে বন্ডের অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে। তবে অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে বা ভিসার ধরন পরিবর্তনের আবেদন করলে সেই অর্থ বাজেয়াপ্ত হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে। পর্যটন, ব্যবসা কিংবা পারিবারিক সফরের ক্ষেত্রে বাড়তি আর্থিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন তারা।


এই বিভাগের আরো খবর