ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, ভোটের চার দিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৫ থেকে ১৬ জন, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন দায়িত্ব পালন করবেন। জনদুর্গম ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ১৭ থেকে ১৮ জন সদস্য থাকবে।
এবারের নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন পৌনে ১৩ কোটি। প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে দুই লাখ ৬০ হাজারের মতো ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার-ভিডিপির সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখ, সশস্ত্রবাহিনী ৯০ হাজার, এছাড়া পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডও নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় নিয়োজিত থাকবে।
এছাড়া ভোট তফসিল ঘোষণার পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের তফসিল ঘোষণা করার পরপরই একজন প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হন এবং দু’টি নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এরপর রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়।
প্রসঙ্গত, ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে আপিল আবেদন, ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি আপিল নিষ্পত্তি হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, ভোট প্রচার চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।