Dhaka ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকাকে উড়িয়ে ১০ উইকেটে জয় পেলো চট্টগ্রাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৩ Time View

খেলাধুলা:বোলারদের দাপটের পর চট্টগ্রামের দুই ওপেনারের দাপটে পাত্তাই পেলো না ঢাকা ক্যাপিটালস। ১২৩ রানের লক্ষ্য রয়্যালস টপকে গেছে কোনো উইকেট না হারিয়েই। গতকাল শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকাকে ১২২ রানে অলআউট করে চট্টগ্রাম রয়্যালস। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একটি উইকেটও না হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছে ১০ উইকেটে। মোহাম্মদ নাইম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ার প্লেতে যোগ হয় ৪৭ রান। আস্থার প্রতিদান দিতে শুরু করেছেন কোটি টাকার নাইম। শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে তিনি ও রসিংটন জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। ১২৩ রানের লক্ষ্যটা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বর্তমান সময়ে খুবই সহজ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো ঝুঁকিই নেননি নাইম ও চট্টগ্রামের বিদেশি ওপেনার রসিংটন। দুজনের ব্যাটেই এসেছে অর্ধশতক। নাইম শেখ ও রসিংটন অপরাজিত ছিলেন ৫৪ ও ৬০ রান করে। নাইমের ৪০ বলের ইনিংসটি ৭ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো। রসিংটন মারেন ৯ চার ও ২টি ছক্কা। এর আগে, সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে যেভাবে ধসে পড়েছিল ঢাকার ব্যাটিং, একই অবস্থা হয় চট্টগ্রামের বিপক্ষেও। রয়্যালসের বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর অলআউট হওয়ার আগে কোনোমতে ১২২ রান করতে পেরেছে রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেছেন সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট। দুটি উইকেট পেয়েছেন অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। একটি আমের জামাল আর একটি রানআউট। পাওয়া প্লেতে ২ উইকেট হারানোর পর ৮.৪ ওভারে পানি পানের বিরতির আগে ৪৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ক্যাপিটালস। একে একে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (১), জুবাইদ (২), উসমান (২১), শামীম (৪) ও মিঠুন (৮)। এই ৫ উইকেটের দুটি করে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেন আর একটি শেখ মাহেদি। দলীয় ৫৫ ও ৬৬ রানে সমান ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিম। মাহেদি ও তানভীর বিদায় করেন তাদের। হাল ধরার চেষ্টায় ৪৮ রানের জুটি গড়েন নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দলীয় ১১৪ রানে নাসিরকে ১৭ রানে আউট করে নিজের তৃতীয় উইকেট শিকার করেন শরিফুল। ৮ উইকেট হারায় ঢাকা। ১২১ রানে ৫ রান করা আমের জামালকে মোহাম্মদ নাইমের ক্যাচ বানিয়ে তাসকিনকে ফেরালে পতন হয় নবম উইকেটের। বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই ১২২ রানে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে শেষ উইকেট হিসেবে রানআউট হন রানের খাতা না খোলা সালমান মির্জা। ঢাকার ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২৫ বলে ৪ চারে ইনিংসটি সাজান তিনি।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

অবৈধ ডিগ্রি, দুদকের অভিযান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য  করে চিকিৎসা,তবুও বহাল তবিয়্যতে চেম্বার

ঢাকাকে উড়িয়ে ১০ উইকেটে জয় পেলো চট্টগ্রাম

Update Time : ০৪:১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

খেলাধুলা:বোলারদের দাপটের পর চট্টগ্রামের দুই ওপেনারের দাপটে পাত্তাই পেলো না ঢাকা ক্যাপিটালস। ১২৩ রানের লক্ষ্য রয়্যালস টপকে গেছে কোনো উইকেট না হারিয়েই। গতকাল শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকাকে ১২২ রানে অলআউট করে চট্টগ্রাম রয়্যালস। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একটি উইকেটও না হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছে ১০ উইকেটে। মোহাম্মদ নাইম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ার প্লেতে যোগ হয় ৪৭ রান। আস্থার প্রতিদান দিতে শুরু করেছেন কোটি টাকার নাইম। শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে তিনি ও রসিংটন জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। ১২৩ রানের লক্ষ্যটা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বর্তমান সময়ে খুবই সহজ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো ঝুঁকিই নেননি নাইম ও চট্টগ্রামের বিদেশি ওপেনার রসিংটন। দুজনের ব্যাটেই এসেছে অর্ধশতক। নাইম শেখ ও রসিংটন অপরাজিত ছিলেন ৫৪ ও ৬০ রান করে। নাইমের ৪০ বলের ইনিংসটি ৭ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো। রসিংটন মারেন ৯ চার ও ২টি ছক্কা। এর আগে, সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে যেভাবে ধসে পড়েছিল ঢাকার ব্যাটিং, একই অবস্থা হয় চট্টগ্রামের বিপক্ষেও। রয়্যালসের বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর অলআউট হওয়ার আগে কোনোমতে ১২২ রান করতে পেরেছে রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেছেন সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট। দুটি উইকেট পেয়েছেন অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। একটি আমের জামাল আর একটি রানআউট। পাওয়া প্লেতে ২ উইকেট হারানোর পর ৮.৪ ওভারে পানি পানের বিরতির আগে ৪৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ক্যাপিটালস। একে একে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (১), জুবাইদ (২), উসমান (২১), শামীম (৪) ও মিঠুন (৮)। এই ৫ উইকেটের দুটি করে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেন আর একটি শেখ মাহেদি। দলীয় ৫৫ ও ৬৬ রানে সমান ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিম। মাহেদি ও তানভীর বিদায় করেন তাদের। হাল ধরার চেষ্টায় ৪৮ রানের জুটি গড়েন নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দলীয় ১১৪ রানে নাসিরকে ১৭ রানে আউট করে নিজের তৃতীয় উইকেট শিকার করেন শরিফুল। ৮ উইকেট হারায় ঢাকা। ১২১ রানে ৫ রান করা আমের জামালকে মোহাম্মদ নাইমের ক্যাচ বানিয়ে তাসকিনকে ফেরালে পতন হয় নবম উইকেটের। বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই ১২২ রানে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে শেষ উইকেট হিসেবে রানআউট হন রানের খাতা না খোলা সালমান মির্জা। ঢাকার ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২৫ বলে ৪ চারে ইনিংসটি সাজান তিনি।