সর্বশেষ :
বাগেরহাটে রামপালে দুর্ঘটনায় ১৪ নিহত, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি, দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ।। বাগেরহাটে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদে নতুন পোশাক বিতরণ মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ ফেরত পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১০ দিনে ৬৮৭ জন নিহত ইরানে বিক্ষোভ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিপ্লবী গার্ডসের ইরানকে সবদিক দিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কাঁপলো একের পর এক ভবন উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে ৬ বছর পর আবার ট্রেন চালু ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ ক্রু নিহত আগামী মঙ্গলবার থেকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন ম্যাখোঁ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সর্বাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র যুক্ত হলো চীনের নৌবহরে

প্রতিনিধি: / ৫৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫

আনন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের আধুনিক সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও নৌক্ষমতা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী ‘ফুজিয়ান’ আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি সমুদ্র পরীক্ষার পর এই রণতরীকে নৌবাহিনীর কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গতকাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। রণতরীটির নামকরণ করা হয়েছে তাইওয়ানের বিপরীত উপকূলে অবস্থিত চীনা প্রদেশ ‘ফুজিয়ান’-এর নামে। চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দেয়া তথ্যমতে, রণতরীটি বহরে যুক্ত করার আনুষ্ঠানিকতায় বুধবার দক্ষিণ হাইনান প্রদেশের সানিয়া শহরে অনুষ্ঠিত কমিশনিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর সদস্য এবং বিমানবাহী রণতরী নির্মাণের সঙ্গে জড়িত নির্মাণ ইউনিটের দুই হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি উপস্থিতি ছিলেন। ফুজিয়ান চীনের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নকশা করা এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী। এর আগে চীন রাশিয়ান নকশা ভিত্তিক ‘লিয়াওনিং’ এবং ‘শানডং’ নামে দুইটি রণতরী কাজে লাগাচ্ছিল। নতুন রণতরীটি প্রযুক্তিগতভাবে আরও উন্নত। এর সমতল ফ্লাইট ডেক এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট সিস্টেম রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক ফোর্ড-শ্রেণির রণতরীগুলো ছাড়া পৃথিবীর আর কোনো নৌবাহিনীর নেই। এই প্রযুক্তির কারণে ফুজিয়ান উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি সংখ্যক এবং ভারী অস্ত্রসজ্জিত যুদ্ধবিমান বহন করতে পারবে। পরীক্ষামূলক সময়ে রণতরীটি থেকে চীনা নৌবাহিনীর নতুন জে-৩৫ স্টেলথ ফাইটার কেজে-৬০০ প্রাথমিক-সতর্কীকরণ বিমান এবং জে-১৫ ফাইটার জেটের একটি নতুন সংস্করণ সফলভাবে উড্ডয়ন করা হয়েছে। নিজস্ব সতর্কীকরণ এবং নজরদারি বিমানের মাধ্যমে ফুজিয়ান দূরসমুদ্রেও নিজের বহর পরিচালনা করতে সক্ষম হবে, যা পূর্বের দুই রণতরী করতে পারত না। যদিও রণতরীটি সম্পূর্ণ যুদ্ধ-সক্ষম হতে কিছু সময় লাগবে, তবুও এটি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সামরিক আধুনিকায়ন কর্মসূচির সবচেয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি। শি জিনপিং এর আগে বলেছিলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে একটি আধুনিক সামরিক বাহিনী এবং ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সমমানের “বিশ্বমানের”বাহিনী গঠন করা তার অন্যতম লক্ষ্য। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের এশিয়া মেরিটাইম ট্রান্সপারেন্সি ইনিশিয়েটিভের পরিচালক গ্রেগ পোলিং এপিকে বলেন, ‘চীনকে একটি মহান শক্তি হিসেবে দেখার জন্য নৌবাহিনী ছাড়াও বিমানবাহী জাহাজগুলো চীনের মূল চাবিকাঠি।’ যেহেতু চীনের নৌবাহিনী দক্ষিণ চীন সাগর, পূর্ব চীন সাগর এবং পীতসাগরের জলসীমা- জাপান, তাইওয়ান এবং ফিলিপাইনের চারপাশের জলসীমায় আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। তাই এটি প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে মার্কিন আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করারর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 


এই বিভাগের আরো খবর