Dhaka ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলো গভীর নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৪ Time View

দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’-তে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় (১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে) অবস্থান করছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত ৫ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার রাত ৩টার সময় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা থেকে ১ হাজার ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে আরও অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। তাদের ধারণা, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা বা রাতের মধ্যে এটি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর এখন অত্যন্ত উত্তাল।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আগের ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বঙ্গোপসাগরে অক্টোবরের শেষভাগে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি মৌসুমি বায়ুর শেষ প্রান্তে সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে তৈরি হয়েছে। তবে এটি বাংলাদেশের উপকূলের দিকে সরাসরি অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা আপাতত নেই।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলো গভীর নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

Update Time : ০৮:০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’-তে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় (১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে) অবস্থান করছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত ৫ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার রাত ৩টার সময় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা থেকে ১ হাজার ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে আরও অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। তাদের ধারণা, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা বা রাতের মধ্যে এটি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর এখন অত্যন্ত উত্তাল।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আগের ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বঙ্গোপসাগরে অক্টোবরের শেষভাগে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি মৌসুমি বায়ুর শেষ প্রান্তে সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে তৈরি হয়েছে। তবে এটি বাংলাদেশের উপকূলের দিকে সরাসরি অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা আপাতত নেই।