সর্বশেষ :
বাগেরহাটে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদে নতুন পোশাক বিতরণ মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ ফেরত পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১০ দিনে ৬৮৭ জন নিহত ইরানে বিক্ষোভ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিপ্লবী গার্ডসের ইরানকে সবদিক দিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কাঁপলো একের পর এক ভবন উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে ৬ বছর পর আবার ট্রেন চালু ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ ক্রু নিহত আগামী মঙ্গলবার থেকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন ম্যাখোঁ বাগেরহাটে ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নাইজেরিয়ায় নিহত হয়েছে : অ্যামনেস্টি

প্রতিনিধি: / ১৬৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫

বিদেশ : নাইজেরিয়ায় উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে দুই বছরে জিহাদি গোষ্ঠী এবং অপরাধী চক্রের সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একথা জানিয়েছে। ঠ্যামনেস্টিও এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোষ্ঠীটি দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবুর সরকারকে জিহাদিদের অভিযান এবং ‘দস্যু’ নামে পরিচিত অপরাধী চক্রের আক্রমণ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের বিভিন্ন অংশের মানুষকে রক্ষা করতে ব্যর্থতার জন্য দায়ী করেছে। এসব অপরাধী চক্র গ্রামে আক্রমণ করে বাসিন্দাদের হত্যা ও অপহরণ করে। লাগোস থেকে এএফপি এই খবর জানায়। মধ্য নাইজেরিয়ার তথাকথিত মিডল বেল্টেও গণহত্যা সংঘটিত হয় যেখানে পশুপালক এবং কৃষকরা প্রায়শই জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। অ্যামনেস্টির তদন্তে দেখা গেছে, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দুই বছরে বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ১০ হাজার ২শ’ ১৭ জন নিহত হয়েছে।’ টিনুবুর ক্ষমতায় আসার প্রথম দুই বছরের সাথে মিল রেখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত বেনু রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ৬,৮৯৬ জন নিহত হয়েছে। এরপরই রয়েছে প্লেটো রাজ্য, যেখানে ২,৬৩০ জন নিহত হয়েছে। অ্যামনেস্টি যে সাতটি রাজ্যের তদন্ত করেছে, তার মধ্যে বোর্নো ২০০৯ সাল থেকে উত্তরপূর্ব নাইজেরিয়ায় জিহাদি সহিংসতার কেন্দ্রস্থল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। দুই বছর আগে টিনুবু ক্ষমতায় আসার পর তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নিরাপত্তাহীনতা মোকাবেলা করা তার সরকারের জন্য অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নাইজেরিয়ার পরিচালক ইসা সানুসি বলেছেন, ‘পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। কারণ, কর্তৃপক্ষ সারা দেশে হাজার হাজার মানুষের জীবনের অধিকার, শারীরিক নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে।’ জিহাদি এবং অন্যান্য অপরাধী গোষ্ঠীগুলো কয়েক বছর ধরে টার্গেট করে আসা উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে সামপ্রতিক মাসগুলোতে হামলার ঘটনা বেড়েছে। সানুসি বলেছেন, ‘বোকো হারাম এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সামপ্রতিক আক্রমণগুলো দেখায় যে, প্রেসিডেন্ট টিনুবুর সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলো কাজ করছে না।’ অ্যামনেস্টির অনুমান, বেনু এবং মালভূমি রাজ্যগুলোতে হামলায় লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। টিনুবু দুই সপ্তাহ আগে বলেছিলেন, তার ‘প্রশাসন নিরাপত্তাহীনতা মোকাবেলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’


এই বিভাগের আরো খবর