Dhaka ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লন্ডনে বাংলায় স্টেশনের নাম দেখে ক্ষোভ ব্রিটিশ এমপির, সমর্থন দিলেন মাস্কও

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩১৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা নামের সাইনবোর্ড দেখে ক্ষোভ জানিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন ব্রিটিশ এক এমপি। গ্রেট ইয়ারমাউথের এমপি রুপার্ট লোয়ি বলেছেন, লন্ডনে সব স্টেশনের সাইনবোর্ডে কেবল ইংরেজিই থাকা উচিত, অন্য কোনো ভাষা নয়। তার এই বক্তব্য দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কেরও সমর্থন পেয়েছে। ভারতীয় দৈনিক বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ডানপন্থি জনতুষ্টিবাদী দল রিফর্ম ইউকের সদস্য লোয়ি গত রোববার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এঙ্ েদেওয়া এক পোস্টে হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনের ইংরেজি ও বাংলা নামের পাশাপাশি লাগানো দুটি সাইনবোর্ডের ছবি শেয়ার করেন। এটা লন্ডন, এখানে স্টেশনে নাম ইংরেজিতে থাকা উচিত, কেবলই ইংরেজিতে, ছবি দিয়ে পোস্টে এমনটাই লেখেন তিনি। তার এই পোস্ট অল্প সময়ের মধ্যে বিতর্কের ঝড় তোলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের কেউ কেউ তাকে সমর্থন জানালেও অনেকে একাধিক ভাষায় সাইনবোর্ড রাখার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। এঙ্রে মালিক মাস্ক লোয়িকে সমর্থন জানিয়ে লেখেন, “ইয়েস।” লোয়ির দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি মাস্কের এই সমর্থন এমন সময়ে এলো যখন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে টেসলার প্রধান নির্বাহীর সম্পৃক্ততা ক্রমশ বাড়তে দেখা যাচ্ছে। মাস্ক সম্প্রতি রিফর্ম ইউকের নেতা হিসেবে নাইজেল ফারাজেকে দেখতে চান বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন; তার সম্ভাব্য উত্তরসূরী হিসেবে ৬৭ বছর বয়সী লোয়ির প্রতিও স্পেসএঙ্ প্রতিষ্ঠাতার সমর্থন আছে বলেই মনে হচ্ছে। হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে বাংলা নামের সাইনবোর্ড যুক্ত করায় তিন বছর আগে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বলেছিলেন, এটি বাংলা ভাষার তাৎপর্যের স্বীকৃতি। “লন্ডন টিউব রেল হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনের সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষাকে গ্রহণ করেছে জেনে গর্বিত, এটা ১,০০০ বছরের পুরনো ভাষাটির ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক গুরুত্ব ও প্রভাবের ইঙ্গিত,”২০২২ সালের মার্চে এঙ্ েএমনটাই লিখেছিলেন তিনি। এই সিদ্ধান্ত সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যমে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জানিয়ে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘‘এটি (হোয়াইটচ্যাপেলে বাংলা সাইনবোর্ড) আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিজয়।’’

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

লন্ডনে বাংলায় স্টেশনের নাম দেখে ক্ষোভ ব্রিটিশ এমপির, সমর্থন দিলেন মাস্কও

Update Time : ০১:১৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা নামের সাইনবোর্ড দেখে ক্ষোভ জানিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন ব্রিটিশ এক এমপি। গ্রেট ইয়ারমাউথের এমপি রুপার্ট লোয়ি বলেছেন, লন্ডনে সব স্টেশনের সাইনবোর্ডে কেবল ইংরেজিই থাকা উচিত, অন্য কোনো ভাষা নয়। তার এই বক্তব্য দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কেরও সমর্থন পেয়েছে। ভারতীয় দৈনিক বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ডানপন্থি জনতুষ্টিবাদী দল রিফর্ম ইউকের সদস্য লোয়ি গত রোববার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এঙ্ েদেওয়া এক পোস্টে হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনের ইংরেজি ও বাংলা নামের পাশাপাশি লাগানো দুটি সাইনবোর্ডের ছবি শেয়ার করেন। এটা লন্ডন, এখানে স্টেশনে নাম ইংরেজিতে থাকা উচিত, কেবলই ইংরেজিতে, ছবি দিয়ে পোস্টে এমনটাই লেখেন তিনি। তার এই পোস্ট অল্প সময়ের মধ্যে বিতর্কের ঝড় তোলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের কেউ কেউ তাকে সমর্থন জানালেও অনেকে একাধিক ভাষায় সাইনবোর্ড রাখার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। এঙ্রে মালিক মাস্ক লোয়িকে সমর্থন জানিয়ে লেখেন, “ইয়েস।” লোয়ির দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি মাস্কের এই সমর্থন এমন সময়ে এলো যখন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে টেসলার প্রধান নির্বাহীর সম্পৃক্ততা ক্রমশ বাড়তে দেখা যাচ্ছে। মাস্ক সম্প্রতি রিফর্ম ইউকের নেতা হিসেবে নাইজেল ফারাজেকে দেখতে চান বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন; তার সম্ভাব্য উত্তরসূরী হিসেবে ৬৭ বছর বয়সী লোয়ির প্রতিও স্পেসএঙ্ প্রতিষ্ঠাতার সমর্থন আছে বলেই মনে হচ্ছে। হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে বাংলা নামের সাইনবোর্ড যুক্ত করায় তিন বছর আগে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বলেছিলেন, এটি বাংলা ভাষার তাৎপর্যের স্বীকৃতি। “লন্ডন টিউব রেল হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনের সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষাকে গ্রহণ করেছে জেনে গর্বিত, এটা ১,০০০ বছরের পুরনো ভাষাটির ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক গুরুত্ব ও প্রভাবের ইঙ্গিত,”২০২২ সালের মার্চে এঙ্ েএমনটাই লিখেছিলেন তিনি। এই সিদ্ধান্ত সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যমে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জানিয়ে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘‘এটি (হোয়াইটচ্যাপেলে বাংলা সাইনবোর্ড) আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিজয়।’’