Dhaka ১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে চলছে বিধানসভার ভোট, রাজধানী কবজায় নিতে মরিয়া বিজেপি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩০৪ Time View

বিদেশ : সোয়া দুই যুগ পর ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ পাবে, নাকি আম আদমি পার্টি হ্যাট্রিক করবে, তা ঠিক করতে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন শহরটির জনগণ। আগামী শনিবার নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। বুধবার সকাল ৭টায় ভোট শুরু হয়। সকাল সকাল ভোট দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধী দুজনেই জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, ১২টি সংরক্ষিত (তফসিলি জাতি) আসনসহ মোট ৭০ আসনে গতকাল বুধবার ৬৯৯ প্রার্থীর ‘ভাগ্য’ নির্ধারণ করবেন ১ কোটি ৫৬ লাখ ভোটার। ভোট নেওয়া হবে ১৩ হাজার ৭৬৬টি বুথে। আম আদমি, কংগ্রেস এবং বহুজন সমাজ পার্টি সবগুলো আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বিজেপি দিয়েছে ৬৮টিতে, একটি করে আসন ছেড়েছে জোট ন্যাশনল ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স-এনডিএ’র দুই সহযোগী- জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) ও লোক জনশক্তি পার্টিকে (এলজেপি)। শেষ দুই বিধানসভা নির্বাচনে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি বিরোধীদের ধসিয়ে দিয়েছিল; কিন্ত এরপর থেকে তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে মদ নীতি সংশ্লিষ্ট ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। নীতিটি অবশ্য পরে বাতিল করা হয়। তবে দুর্নীতির অভিযোগ টানা ক্ষমতায় থাকা আম আদমিকে টালমাটাল করে দেয়, জেলে জেতে হয় কেজরিওয়াল, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মনীষ সিসোদিয়া এবং বেশ ক’জন মন্ত্রীকে। বদলাতে হয় মুখ্যমন্ত্রীও। ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে লড়া অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তার দলের জন্য এবারের নির্বাচনকে অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অপরদিকে আম আদমি পার্টির (আপ) কবজা থেকে দিল্লিকে মুক্ত করতে মরিয়া বিজেপি।ি এবার তাদের নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ তুলনামূলক আগেই শুরু করে দেয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বড় বড় সমাবেশও করে তারা। এক দশক ধরে দিল্লির রাজনীতিতে প্রায় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়া কংগ্রেসও এবার বিধানসভায় প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টি প্রায় সাড়ে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিল ৬২টি আসন। বিজেপি জিতেছিল ৮টিতে। পেয়েছিল সাড়ে ৩৮ শতাংশ ভোট। কংগ্রেস শূন্য হাতে ফিরেছিল মাত্র ৪.২৬ শতাংশ ভোট নিয়ে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

দিল্লিতে চলছে বিধানসভার ভোট, রাজধানী কবজায় নিতে মরিয়া বিজেপি

Update Time : ১২:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিদেশ : সোয়া দুই যুগ পর ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ পাবে, নাকি আম আদমি পার্টি হ্যাট্রিক করবে, তা ঠিক করতে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন শহরটির জনগণ। আগামী শনিবার নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। বুধবার সকাল ৭টায় ভোট শুরু হয়। সকাল সকাল ভোট দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধী দুজনেই জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, ১২টি সংরক্ষিত (তফসিলি জাতি) আসনসহ মোট ৭০ আসনে গতকাল বুধবার ৬৯৯ প্রার্থীর ‘ভাগ্য’ নির্ধারণ করবেন ১ কোটি ৫৬ লাখ ভোটার। ভোট নেওয়া হবে ১৩ হাজার ৭৬৬টি বুথে। আম আদমি, কংগ্রেস এবং বহুজন সমাজ পার্টি সবগুলো আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বিজেপি দিয়েছে ৬৮টিতে, একটি করে আসন ছেড়েছে জোট ন্যাশনল ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স-এনডিএ’র দুই সহযোগী- জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) ও লোক জনশক্তি পার্টিকে (এলজেপি)। শেষ দুই বিধানসভা নির্বাচনে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি বিরোধীদের ধসিয়ে দিয়েছিল; কিন্ত এরপর থেকে তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে মদ নীতি সংশ্লিষ্ট ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। নীতিটি অবশ্য পরে বাতিল করা হয়। তবে দুর্নীতির অভিযোগ টানা ক্ষমতায় থাকা আম আদমিকে টালমাটাল করে দেয়, জেলে জেতে হয় কেজরিওয়াল, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মনীষ সিসোদিয়া এবং বেশ ক’জন মন্ত্রীকে। বদলাতে হয় মুখ্যমন্ত্রীও। ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে লড়া অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তার দলের জন্য এবারের নির্বাচনকে অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অপরদিকে আম আদমি পার্টির (আপ) কবজা থেকে দিল্লিকে মুক্ত করতে মরিয়া বিজেপি।ি এবার তাদের নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ তুলনামূলক আগেই শুরু করে দেয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বড় বড় সমাবেশও করে তারা। এক দশক ধরে দিল্লির রাজনীতিতে প্রায় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়া কংগ্রেসও এবার বিধানসভায় প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টি প্রায় সাড়ে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিল ৬২টি আসন। বিজেপি জিতেছিল ৮টিতে। পেয়েছিল সাড়ে ৩৮ শতাংশ ভোট। কংগ্রেস শূন্য হাতে ফিরেছিল মাত্র ৪.২৬ শতাংশ ভোট নিয়ে।