গতকাল রাতে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের মধ্যকার নকআউট পর্বের ম্যাচে জয়-পরাজয়ের চেয়েও বড় আলোচনা তৈরি করেছে দ্বিতীয়ার্ধের একটি বিতর্কিত ভিএআর সিদ্ধান্ত। মিশর যখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে, ঠিক তখনই ঘটে ম্যাচের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট।মোহামেদ সালাহর চমৎকার পাস থেকে বল পেয়ে আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠান মিশরের মোস্তফা জিকো। ব্যবধান ২-০ হচ্ছে ভেবে জিকো জার্সি খুলে বুনো উদযাপনে মেতে ওঠেন।
কিন্তু মিশরের সেই আনন্দ স্তব্ধ হয়ে যায় একটু পরেই। ভিএআর চেক করে রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন।
ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) দেখে যে, গোলটি হওয়ার আগের বিল্ড-আপে (আক্রমণের শুরুতে) একটি ফাউল হয়েছিল।ম্যাচ চলাকালীন ধারাভাষ্যকাররা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেছিলেন, এই সিদ্ধান্তটি ভিএআর-এর এখতিয়ার বা সীমানার বাইরে ছিল। অর্থাৎ, রেফারি যেভাবে আগের ফাউল টেনে এনে গোলটি বাতিল করেছেন, তা নিয়মসংগত ছিল না বলেই ধারাভাষ্যকারদের মত।
তবে ফুটবলের আইন প্রণেতা সংস্থা আইএফএবির নিয়ম অনুযায়ী এর ভিন্ন ব্যাখ্যাও আছে। আইএফএবির প্রটোকল বলছে, গোল হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে আক্রমণভাগের কোনো খেলোয়াড় ফাউল, হ্যান্ডবল বা অফসাইড করলে ভিএআর তা খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে।
যদিও জিকো পরে আরেকটি বৈধ গোল করে মিশরকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়েছিলেন, কিন্তু ধারাভাষ্যকারদের মতে এই ভুল এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণেই মিশরের ছন্দ পতন ঘটে। ম্যাচের শেষ দিকে ৩ গোল খেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ফারাওদের, যার শুরুটা হয়েছিল এই ভিএআর বিতর্ক দিয়েই।