1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

মুক্তি পাচ্ছেন ব্রিটেনের দীর্ঘতম কারাবন্দি মারিয়া পিয়ারসন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

বিদেশ: প্রায় চার দশক কারাগারে কাটানোর পর মুক্তি পেতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বন্দি থাকা নারী মারিয়া পিয়ারসন। দেশটির প্যারোল বোর্ড মনে করছে, বর্তমানে তিনি জনসাধারণের জন্য আর উল্লেখযোগ্য কোনো ঝুঁকি নন। বর্তমানে ৭০ বছর বয়সী মারিয়া পিয়ারসন ১৯৮৬ সালে সাবেক প্রেমিকের নতুন সঙ্গী ২৩ বছর বয়সী জ্যানেট নিউটনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। পরের বছর তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার বিচারক ওই হত্যাকাণ্ডকে নিষ্ঠুর ও নৃশংস বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। প্যারোল বোর্ডের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সময় পিয়ারসন একই সঙ্গে দুই ব্যক্তির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলেন। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রেখেই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তার দ্বিতীয় স্বামী জ্যানেট নিউটনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাদের বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন। এতে পিয়ারসন আশঙ্কা করেন, তিনি বাড়ি ও সন্তানের হেফাজত হারাতে পারেন। এরপর তিনি জ্যানেট নিউটনের চলাফেরা ও দৈনন্দিন রুটিন অনুসরণ করতে শুরু করেন। একদিন বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। বিচারের সময় পিয়ারসন হত্যার দায় দ্বিতীয় স্বামীর ওপর চাপানোর চেষ্টা করলেও আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে তাকে অতিমাত্রায় ঈর্ষান্বিত ও আবেগপ্রবণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তিন সন্তানের জননী পিয়ারসনকে ন্যূনতম ১২ বছর কারাভোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই মেয়াদ ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে শেষ হলেও এরপরও তিনি কারাগারেই ছিলেন। এর মধ্যে দুবার তাকে উন্মুক্ত কারাগারে পাঠানো হলেও আচরণগত উদ্বেগের কারণে আবার উচ্চ নিরাপত্তার কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়। এটি ছিল তার মুক্তির আবেদন নিয়ে প্যারোল বোর্ডের দশম শুনানি। চলতি বছরের জানুয়ারি ও মে মাসে সর্বশেষ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তির পর তাকে নির্ধারিত ঠিকানায় বসবাস করতে হবে। এক বছর ইলেকট্রনিক নজরদারির আওতায় থাকতে হবে এবং কারফিউ মেনে চলতে হবে। এছাড়া নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা যাবে না। প্যারোল বোর্ড জানিয়েছে, দীর্ঘ বিবেচনার পর তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, জননিরাপত্তার স্বার্থে তাকে আর কারাগারে রাখার প্রয়োজন নেই। ভবিষ্যতে গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বর্তমানে খুবই কম।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd