Dhaka ০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডিজেল জেনারেটর ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২২৫ Time View

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য স্থাপিত তিনটি ডিজেল জেনারেটর ইউনিটের মধ্যে একটিতে ‘কোল্ড রান’ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দুই ধাপে পরীক্ষাটি চালানো হয়। প্রথম ধাপে উচ্চ চাপের বায়ুর সাহায্যে ডিজেল জেনারেটর ইউনিটের সব অংশের কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়ার পর জালানি ব্যবহার করে জেনারেটরটি চালু করা হয়। স্টার্টআপের আগে কমিশনিং প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালানো হয়। এর মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম পারমাণবিক এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। বুধবার দুপুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রসাটম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানায়। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর ডিজেল জেনারেটর ইউনিট, যা স্ট্যান্ডবাই বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। কোনো কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিয়্যাক্টর বন্ধ রাখার প্রয়োজন হলে এই জেনারেটর থেকে বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। জেনারেটর ইউনিটের উচ্চতা ৫.৫ মিটার, দৈর্ঘ্য ১৩ মিটার, ওজন ১৮৫ টন। জেনারেটর ইউনিটটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬.৩ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ প্রকল্পের জন্য এতমস্ত্রয়এক্সপোর্টের ভাইস-প্রেসিডেন্ট আলেক্সি দেইরী জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর আগে এর সব সিস্টেমের মান নিশ্চিত ও অপারেশন সক্ষমতা যাচাই করা হয়, যা কমিশনিং ধাপে বাধ্যতামূলক কার্যক্রম। সাধারণত রুশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর জীবনকাল ১০০ বছরেরও বেশি এবং এই সময়কালে আমরা আমাদের সব প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকি। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীর রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটিতে দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে এবং এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২৪০০ মেগাওয়াট। প্রতিটি ইউনিটে স্থাপিত হবে ৩+ প্রজন্মের রুশ ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর যা সব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সক্ষম। রসাটম প্রকৌশল শাখা জেনারেল ডিজাইনার এবং কন্ট্রাকটর হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডিজেল জেনারেটর ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন

Update Time : ১২:১৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য স্থাপিত তিনটি ডিজেল জেনারেটর ইউনিটের মধ্যে একটিতে ‘কোল্ড রান’ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দুই ধাপে পরীক্ষাটি চালানো হয়। প্রথম ধাপে উচ্চ চাপের বায়ুর সাহায্যে ডিজেল জেনারেটর ইউনিটের সব অংশের কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়ার পর জালানি ব্যবহার করে জেনারেটরটি চালু করা হয়। স্টার্টআপের আগে কমিশনিং প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালানো হয়। এর মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম পারমাণবিক এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। বুধবার দুপুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রসাটম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানায়। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর ডিজেল জেনারেটর ইউনিট, যা স্ট্যান্ডবাই বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। কোনো কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিয়্যাক্টর বন্ধ রাখার প্রয়োজন হলে এই জেনারেটর থেকে বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। জেনারেটর ইউনিটের উচ্চতা ৫.৫ মিটার, দৈর্ঘ্য ১৩ মিটার, ওজন ১৮৫ টন। জেনারেটর ইউনিটটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬.৩ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ প্রকল্পের জন্য এতমস্ত্রয়এক্সপোর্টের ভাইস-প্রেসিডেন্ট আলেক্সি দেইরী জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর আগে এর সব সিস্টেমের মান নিশ্চিত ও অপারেশন সক্ষমতা যাচাই করা হয়, যা কমিশনিং ধাপে বাধ্যতামূলক কার্যক্রম। সাধারণত রুশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর জীবনকাল ১০০ বছরেরও বেশি এবং এই সময়কালে আমরা আমাদের সব প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকি। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীর রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটিতে দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে এবং এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২৪০০ মেগাওয়াট। প্রতিটি ইউনিটে স্থাপিত হবে ৩+ প্রজন্মের রুশ ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর যা সব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সক্ষম। রসাটম প্রকৌশল শাখা জেনারেল ডিজাইনার এবং কন্ট্রাকটর হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।