Dhaka ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষোভ ঝাড়লেন অ্যালিসন, অ্যাকাঞ্জির অবসরের হুমকি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৩৪ Time View

শুরু হয়েছে নতুন নিয়মের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ইউরোপের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতাটিতে ৩২ দলের পরিবর্তে এবার আসরে খেলবে ৩৬ দল। কোনো গ্রæপ থাকবে না। একই পয়েন্ট টেবিলের আওতায় এসে সবগুলো দল গ্রæপপর্বে ৮টি করে ম্যাচ খেলবে। যেখানে আগে গ্রæপ পর্বের ম্যাচ হতো ৬টি। গ্রæপপর্বের খেলা শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ ৮ দল সরাসরি শেষ ষোলোতে খেলবে। বাকি ৮ দলকে দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে খেলতে হবে প্লে-অফ। প্লে-অফেও অতিরিক্ত দুটি ম্যাচ খেলা হবে। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন সংস্করণে দল বাড়ার সঙ্গে ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। আয়োজকদের ম্যাচ বাড়ানোর উদ্দেশ্য বেশি দর্শক আকৃষ্ট করা। কিন্তু বেশি ম্যাচ খেলতে গিয়ে খেলোয়াড়দের উপর চাপ বেড়ে গিয়েছে, কিন্তু এ নিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয় না। দায়িত্বশীলদের এমন আচরণে খুশি হতে পারেননি কিছু খেলোয়াড়। এমন ঠাসা শিডিউল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার ও ম্যানচেস্টার সিটি তারকা মানুয়েল অ্যাকাঞ্জি। অ্যালিসন বলেন, ‘বাড়তি ম্যাচ যোগ করা নিয়ে খেলোয়াড়েরা কী ভাবছে, তা নিয়ে তো কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করে না। মনে হয় আমাদের মতামতের কোনো মূল্য নেই। তবে সবাই জানে আমরা বাড়তি ম্যাচ নিয়ে কী ভাবছি। এ নিয়ে বলতে বলতে আমরা ক্লান্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি এখানে সংবাদমাধ্যম, টিভি, উয়েফা, ফিফা, প্রিমিয়ার লিগ ও অন্যান্য প্রতিযোগিতাগুলোর নিজস্ব ভাবনাচিন্তা আছে। আমরা তো নির্বোধ নই। আমরা এটাও জানি, মানুষ বেশি বেশি ম্যাচ দেখতে চায়। তবে যাঁরা সূচি বানান, তাঁদের দরকার ছিল খেলোয়াড়সহ সব পক্ষের সঙ্গে বসে কথা বলা। ক্লান্ত হয়ে গেলে তো আপনি নিজের সেরাটা দিতে পারবেন না। আমি তো সব ম্যাচেই নিজের সেরাটা দিতে চাই।’ এমন ঠাসা শিডিউলের সমালোচনা করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার অ্যাকাঞ্জি। অ্যাকাঞ্জি বলেন, ‘খুবই কঠিন অবস্থা। আপনাকে শুধু এই মৌসুম নিয়ে ভাবলেই চলছে না, ভাবতে হচ্ছে পরের মৌসুম নিয়েও। আমরা ছুটি কাটাবো কখন? শীতকালীন ছুটিও নেই। ভাগ্য ভালো থাকলে দুই মৌসুমের মাঝে দুই সপ্তাহের ছুটি পেতে পারি, তবে এরপরই তো ফিরতে হবে। শেষ নেই যেন। জানি না কী হবে। হয়তো আমি ৩০ বছরেই অবসর নিয়ে নেবো!’ ক্লাব ফুটবলে এসব ঠাসা শিডিউলের সমালোচনা করেছেন লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও।

 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

অবৈধ ডিগ্রি, দুদকের অভিযান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য  করে চিকিৎসা,তবুও বহাল তবিয়্যতে চেম্বার

ক্ষোভ ঝাড়লেন অ্যালিসন, অ্যাকাঞ্জির অবসরের হুমকি

Update Time : ১২:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

শুরু হয়েছে নতুন নিয়মের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ইউরোপের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতাটিতে ৩২ দলের পরিবর্তে এবার আসরে খেলবে ৩৬ দল। কোনো গ্রæপ থাকবে না। একই পয়েন্ট টেবিলের আওতায় এসে সবগুলো দল গ্রæপপর্বে ৮টি করে ম্যাচ খেলবে। যেখানে আগে গ্রæপ পর্বের ম্যাচ হতো ৬টি। গ্রæপপর্বের খেলা শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ ৮ দল সরাসরি শেষ ষোলোতে খেলবে। বাকি ৮ দলকে দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে খেলতে হবে প্লে-অফ। প্লে-অফেও অতিরিক্ত দুটি ম্যাচ খেলা হবে। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন সংস্করণে দল বাড়ার সঙ্গে ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। আয়োজকদের ম্যাচ বাড়ানোর উদ্দেশ্য বেশি দর্শক আকৃষ্ট করা। কিন্তু বেশি ম্যাচ খেলতে গিয়ে খেলোয়াড়দের উপর চাপ বেড়ে গিয়েছে, কিন্তু এ নিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয় না। দায়িত্বশীলদের এমন আচরণে খুশি হতে পারেননি কিছু খেলোয়াড়। এমন ঠাসা শিডিউল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার ও ম্যানচেস্টার সিটি তারকা মানুয়েল অ্যাকাঞ্জি। অ্যালিসন বলেন, ‘বাড়তি ম্যাচ যোগ করা নিয়ে খেলোয়াড়েরা কী ভাবছে, তা নিয়ে তো কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করে না। মনে হয় আমাদের মতামতের কোনো মূল্য নেই। তবে সবাই জানে আমরা বাড়তি ম্যাচ নিয়ে কী ভাবছি। এ নিয়ে বলতে বলতে আমরা ক্লান্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি এখানে সংবাদমাধ্যম, টিভি, উয়েফা, ফিফা, প্রিমিয়ার লিগ ও অন্যান্য প্রতিযোগিতাগুলোর নিজস্ব ভাবনাচিন্তা আছে। আমরা তো নির্বোধ নই। আমরা এটাও জানি, মানুষ বেশি বেশি ম্যাচ দেখতে চায়। তবে যাঁরা সূচি বানান, তাঁদের দরকার ছিল খেলোয়াড়সহ সব পক্ষের সঙ্গে বসে কথা বলা। ক্লান্ত হয়ে গেলে তো আপনি নিজের সেরাটা দিতে পারবেন না। আমি তো সব ম্যাচেই নিজের সেরাটা দিতে চাই।’ এমন ঠাসা শিডিউলের সমালোচনা করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার অ্যাকাঞ্জি। অ্যাকাঞ্জি বলেন, ‘খুবই কঠিন অবস্থা। আপনাকে শুধু এই মৌসুম নিয়ে ভাবলেই চলছে না, ভাবতে হচ্ছে পরের মৌসুম নিয়েও। আমরা ছুটি কাটাবো কখন? শীতকালীন ছুটিও নেই। ভাগ্য ভালো থাকলে দুই মৌসুমের মাঝে দুই সপ্তাহের ছুটি পেতে পারি, তবে এরপরই তো ফিরতে হবে। শেষ নেই যেন। জানি না কী হবে। হয়তো আমি ৩০ বছরেই অবসর নিয়ে নেবো!’ ক্লাব ফুটবলে এসব ঠাসা শিডিউলের সমালোচনা করেছেন লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও।